রংপুর অফিস
প্রকাশ : ১৫ নভেম্বর ২০২৫ ২০:২৬ পিএম
বিধবা নারীর জমি লিজ দেওয়ার অভিযোগে রংপুর জেলা প্রশাসক রবিউল ফয়সাল ও ভূমি কর্মকর্তা মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
শনিবার (১৫ নভেম্বর) বিকালে মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ভুক্তভোগীর মামা ওয়াজেদ আলী সরকার জানান, সিএস খতিয়ান অনুযায়ী রংপুর নগরীর নীলকণ্ঠ এলাকায় দুটি দাগে মোট ৩১ শতক জমির মালিক ছিলেন চন্দ্র মোহন নামে এক ব্যক্তি। তিনি ওই জমির খাজনা চালাতে ব্যর্থ হলে তা জোতদারের কাছে হস্তান্তর করেন এবং পরবর্তী সময়ে অজিত কুমার সেন গুপ্ত নামে এক ব্যক্তি সেই জমি পত্তন নেয়। এরপর অজিত কুমার সেন গুপ্ত ১৯৮৫ সালের ৩০ জুন হাবিবুর রহমানের কাছে ওই ৩১ শতক জমি বিক্রি করে দেন। হাবিবুর রহমান ওই জমি ভোগদখল অবস্থায় ১৯৮৮ সালের ২৩ নভেম্বর মোজাম্মেল হকের কাছে বিক্রি করেন। ২০২৩ সালের ২৮ মে মোজাম্মেল হক আরএস রেকর্ডের জাবেদা নকল উত্তোলন করতে গিয়ে দেখেন জমিটি খাস দেখানো হয়েছে। এ নিয়ে মোজাম্মেল হক আরএস খতিয়ান সংশোধনের জন্য ল্যান্ড সার্ভে টাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেছেন। মামলা চলামান অবস্থায় মোজাম্মেল হকের মৃত্যু হলে তিন মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন তার স্ত্রী। সম্প্রতি জেলা প্রশাসক রবিউল ফয়সাল ও নীলকণ্ঠ ভূমি কর্মকর্তা মিজানুর রহমান যোগসাজশ করে বিবাদমান ওই জমিটি তৃতীয় লিঙ্গের কিছু সদস্যদের নামে লিজ দেওয়াসহ তাদের দখলে দিয়েছেন। এ সময় ক্রয়কৃত ৩১ শতক জমিটি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান ভূক্তভোগীর পরিবার। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, মোজাম্মেল হকের মিম্মি বেগমসহ এলাকাবাসী।
এ ব্যাপারে রংপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রবিউল ফয়সাল (০১৭১৩২০১৮১৮) ও ভূমি কর্মকর্তা মিজানুর রহমানকে (০১৭১৬০৪৭২৪৯) একাধিকবার ফোন করেও তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।