গাজীপুর প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৫ নভেম্বর ২০২৫ ১১:৩৮ এএম
আপডেট : ১৫ নভেম্বর ২০২৫ ১১:৫৪ এএম
গাজীপুরে একটি বাসা থেকে এক গৃহবধূর গলাকাটা মরদেহ এবং গৃহবধূর স্বামীকে অর্ধ গলা কাটা অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) মধ্যরাতে মহানগরীর কোনাবাড়ী নওয়াব আলী মার্কেট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
শনিবার (১৫ নভেম্বর) সকালে ওই দম্পতির ১৬ বছরের মেয়ে শারমিন আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।
নিহত হলেন, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার বিনোয়াটি গ্রামের শাজাহান সরকারের মেয়ে রহিমা বেগম (৩৮)। অর্ধ গলা কাটা গুরুতর আহত অবস্থায় তার স্বামী ইমরান হোসেনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তিনি ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট থানার আমতৈল গ্রামের সুরুজ আলীর ছেলে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, এমরান হোসেন ও রহিমা তাদের সন্তান শারমিনকে নিয়ে কোনাবাড়ি নওয়াব আলী মার্কেট এলাকার একতা ভিলার ৫ তলায় ভাড়া থাকতেন। স্বামী এমরান হোসেন কোনাবাড়ি এলাকায় মাংস বিক্রির কাজ করতেন এবং স্ত্রী ছিলেন গৃহিণী। শনিবার সকালে পুলিশ খবর পায় স্বামী স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। কোনাবাড়ী থানা পুলিশ ভোরে তাদের মরদেহের সুরতহাল করতে যান। এ সময়ে পুলিশ অর্ধ গলা কাটা স্বামীর হাত নাড়াচাড়া করতে দেখেন। পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
তাদের মেয়ে শারমিন আক্তারের বরাত দিয়ে থানার পুলিশ জানায়, শুক্রবার দিবাগত রাতে তার মা বাবার মধ্যে পারিবারিক কলহ নিয়ে বিবাদ সৃষ্টি হয়। তারই জের ধরে এমরান ধারালো দা দিয়ে প্রথমে স্ত্রীকে জবাই করেন। পরে নিজেও ওই দা নিয়ে নিজের গলা কেটে ফেলেন।
কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেন, নিহত রহিমা বেগমের মরদেহ গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং তার স্বামীকে একই হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মেয়ে শারমিনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।