ঝালকাঠি প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৫ নভেম্বর ২০২৫ ১৭:২০ পিএম
আপডেট : ০৫ নভেম্বর ২০২৫ ১৭:৩৩ পিএম
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার তারাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১৮ শিক্ষক কর্মচারি সংবাদ সম্মেলন করেছেন। বুধবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে কাঠালিয়া প্রেস ক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পড়েন বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম খান।
তিনি অভিযোগ করেন, বিদ্যালয় সংলগ্ন বাসিন্দা এনায়েত জমাদ্দার তারাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভবনের নাম মুছে এনায়েত জমাদ্দার মাধ্যমিক বিদ্যালয় নাম লিখে রেখেছেন।
এছাড়াও এনটিআরসিয়ের নিয়োগ প্রাপ্তি ইংরেজির সহকারি শিক্ষক রেজওয়ান হাসান, গণিতের সহকারি শিক্ষক হাসান জমাদার ও ব্যবসায় শিক্ষিকা সিনিগ্ধা আক্তার সুমার এমপিও ভুক্তির জন্য একটি জাতীয় পত্রিকার কাঠালিয়া প্রতিনিধি পরিচয়ে বাদল হাওলাদার, এনায়েত জমাদ্দার, দেলোয়ার সিকদারসহ অন্যরা ২ লাখ টাকা চাঁদার দাবি করেন। এ ছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিদ্যালয়ের নামে নানান অপপ্রচার ছড়াচ্ছেন।
দাবিকৃত টাকা না পেয়ে বিদ্যালয়ের মাঠের পাশের বিভিন্ন ধরনের গাছ কেটে নিয়েছেন এনায়েত জমাদ্দার ও দেলোয়ার সিকদার।
প্রধান শিক্ষক আরও বলেন, আমাকেসহ নিয়োগ পাওয়া নতুন ওই তিন শিক্ষককে বিভিন্ন মোবাইলে প্রাণনাশের হুমকি ধামকি দিয়ে দেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে অফিস সহকারি মনির হোসেন ও সহকারী শিক্ষক শিমু আক্তার বলেন, সাংবাদিক পরিচেয়ে বাদল হাওলাদার আমাদের কাছ থেকে ৪ হাজার টাকা চাঁদা নিয়েছেন। এ ব্যাপারে উপজেলা ইউএনওকে বিষয়টি জানানোর পরেও ওই চাঁদাবাজ চক্র থামছে না।
এতে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক রেজওয়ান, হাসান জমাদ্দার, শিমু আক্তার, অফিস সহকারি মনির হোসেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেন, মাওলানা ইব্রাহিম, বাবু তপন রায়, ইব্রাহিম তালুকদার, বাবু রমেশ হাওলাদার, সুবেদ চন্দ্র রায়, রোজিনা আক্তার, তানিয়া আফরিন, কর্মচারি শামিম হাওলাদার, হাসান জমাদ্দার, পুতুল রানী ও আলতাফ হোসেন প্রমুখ
এ ব্যাপারে এনায়েত জমাদ্দার বলেন, বিদ্যালয়ের ভবনের নাম তারাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় মুছে এনায়েত জমাদ্দার মাধ্যমিক বিদ্যালয় লিখেছিলাম। পরে ইউএনও আমার নাম (এনায়েত জমাদ্দার মাধ্যমিক বিদ্যালয়) মুছে প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম খানকে তারাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নাম লেখার নির্দেশ দেন। ভবনে এখন তারাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নাম লেখা আছে। গাছ কেটে নেওয়ার কথা শিকার করেন। তবে স্কুল মাঠের জমি তার নিজের বলে দাবি করেন তিনি। চাঁদা চাওয়ার বিষয়টিও অস্বীকার করেন। সাংবাদিক বাদল হাওলাদার চাঁদা দাবির বিষয়টি ভুযা বলে জানান।