গাজীপুর প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ২০:৫৪ পিএম
ঢাকা-বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধনের মাত্র দুই মাসের মধ্যেই ভেঙে গেছে এর নিরাপত্তা বেষ্টনি। ফলে চরম ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিনই এক্সপ্রেসওয়ে পার হচ্ছেন স্থানীয় পথচারীরা। এতে যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরণের দুর্ঘটনা।
৪৮ কিলোমিটার দীর্ঘ ও চার লেনবিশিষ্ট এই এক্সপ্রেসওয়ের ১৮ কিলোমিটার অংশ চালু করা হয়েছে গত ২৪ আগস্ট। সেদিন গাজীপুর মহানগরীর ভোগড়া টোল প্লাজার পাশে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। এক্সপ্রেসওয়েতে সিএনজি অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং কোনো ইউটার্ন রাখা হয়নি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, এক্সপ্রেসওয়ের বিভিন্ন অংশ ভেঙে ও ছিদ্র করে মানুষ পারাপার করছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন অংশের আইল্যান্ডের মাঝে দেওয়া স্টান্ড ভেঙে ফেলেছে। বড় বড় দেয়াল নিচে ফাঁকা করে মানুষ পারাপার হচ্ছে। এছাড়াও আইল্যান্ডের মাঝে বসানো হয়েছে অস্থায়ী লোহার তৈরি মই। ভোগরা বাইপাস হতে উলুখোলা পর্যন্ত দেড় শতাধিক স্থানে নিরাপত্তা বেষ্টনী কেটে মানুষ এভাবে চলাচল করছে। ফলে একদিকে যেমন এক্সপ্রেসওয়ের সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে জীবন ঝুঁকিতে ফেলে পারাপারের এই প্রবণতা বাড়াচ্ছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা।
এ বিষয়ে এক্সপ্রেসওয়ের প্রকৌশলীদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি। মুঠোফোনে কল দিলেও সাড়া মেলেনি।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, এই এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে গাড়ি চলে দ্রুত গতিতে। এসবকে তোয়াক্কা না করে প্রতিদিনই বয়স্ক, শিশু-কিশোর ও শিক্ষার্থীরা পাড়ি দিচ্ছেন মহাসড়ক। দ্রুতগতির যানবাহনের মধ্যে এভাবে পারাপার রোধে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন, নইলে যেকোনো মুহূর্তে ঘটতে পারে বড় ধরণের দুর্ঘটনা।