× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

পাথরঘাটায় স্কুলছাত্রীকে অপহরণ, দেড় মাস পর মায়ের ধর্ষণ মামলা

পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২১ অক্টোবর ২০২৫ ১৯:১১ পিএম

পাথরঘাটায় স্কুলছাত্রীকে অপহরণ, দেড় মাস পর মায়ের ধর্ষণ মামলা

বরগুনার পাথরঘাটাায় সপ্তম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে (১৫) অপহরণের এক মাস ২১ দিন পরও সন্ধান না পেয়ে ধর্ষণের অভিযোগ এনে আদালতে মামলা করেছেন তার মা। 

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা জজ লায়লাতুল ফেরদৌস মামলাটি গ্রহণ করে পাথরঘাটা থানার ওসিকে এজাহারভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বরগুনা জজ আদালতের বিশেষ পিপি রনজুয়ারা সিপু।

মামলার বিবরণে জানা যায়, পাথরঘাটার ছোনবুনিয়া গ্রামের সপ্তম শ্রেণির ওই ছাত্রীর সঙ্গে সঙ্গে তালতলী উপজেলার কড়ইবাড়িয়া ইউনিয়নের ঝাড়াখালী গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে মো. মুছার (২৫) ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় হয়। মুছা ওই স্কুলছাত্রীকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়, কিন্তু মেয়েটি রাজি না হলে তাকে জোর করে তুলে নেয়ার হুমকি দেয় সে। ঘটনাটি মেয়েটি তার বাবা-মাকে জানায় এবং মুছার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। এতে ওই যুবক প্রতিশোধ পরায়ণ হয়ে উঠে। গত ৩১ আগস্ট সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ওই ছাত্রী স্কুলে যাওয়া পথে মুছা ও তার তিন বন্ধু মেয়েটিকে খুনের ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়।

স্কুলছাত্রীর মা বলেন, আমার মেয়ে প্রতিদিনের মতো স্কুল থেকে বিকালে বাসায় না ফেরায় ওইদিন পাথরঘাটা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করি। এছাড়া আমার মেয়েকে বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজনের বাসায় খুঁজতে থাকি। পরে আত্মীয় মো. স্বপনের কাছে জানতে পারি আসামি মুছাসহ কতিপয় যুবক আমার নাবালিকা মেয়েকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে। আসামির বাবা জসিম উদ্দিন ও তার স্ত্রীর কাছে গিয়ে অনুরোধ করলে তারা আমার মেয়েকে ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দেওয়ার পরেও একমাস ২১ দিনেও ফেরত দেয়নি। 

তিনি আরও বলেন, আমার মেয়ে মুছার কাছেই আছে। তবে বেঁচে আছে কিনা জানিনা। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, আসামি মুছা আমার ছোট মেয়েটিকে কোথাও আটক রেখে ধর্ষণ করতে পারে। এমনও হতে পারে টাকার বিনিময় মেয়েটিকে বিদেশে পাচার করেছে মুছা। অথবা মেয়েকে হত্যা করে লাশ গোপনও করতে পারে। কোথায় কী অবস্থায় আমার মেয়ে আছে তা জানি না। আসামি মুছার ফোন বন্ধ থাকায় তার সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।

পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.মেহেদী হাসান বলেন, থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পরে মেয়ের অভিভাবক কেউ থানায় আসেনি। আমরাও মেয়েটিকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি। তবে মেয়েটির পরিবার থানায় মামলা করতে আসেনি, মামলা করতে আসলে মামলা নিতাম।


শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা