হালুয়াঘাট (ময়মনসিংহ) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০১ অক্টোবর ২০২৫ ২১:৩৭ পিএম
আপডেট : ০১ অক্টোবর ২০২৫ ২১:৪০ পিএম
হালুয়াঘাটে গারো এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (১ অক্টোবর) বিকাল এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন হালুয়াঘাট ধোবাউড়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সাগর সরকার।
এ সময় পুলিশ জানায়, ওই কিশোরী নবম শ্রেণিতে পড়ে। গত সোমবার দুপুরে মিলন মিয়ার সঙ্গে স্থানীয় একটি পার্কে ওই কিশোরী বেড়াতে যায়। বিকালের দিকে সেখান থেকে বাড়ি পৌঁছে দিতে কিশোরীকে বাশারের অটোরিকশায় তুলে নেন মিলন। পরে পরিকল্পনামাফিক কিছু দূর গেলে মিলন ও তার সহযোগী অটো থেকে নেমে পড়েন। পরে অটোচালক বাসার বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করে নির্জন স্থানে নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ করেন। এরপর রাত ১১টার দিকে গামারীতলা এলাকায় তাকে নামিয়ে দিয়ে অটোরিকশাচালক চলে যান। পরে স্থানীয় লোকজন মেয়েটিকে উদ্ধার করে তাকে বাড়িতে পৌঁছে দেয়। পরে সোমবার রাতে স্বজনরা পুলিশের সহায়তা নেন। এ ছাড়া ওই কিশোরীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার রাতে ওই শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে জুগলী ইউনিয়নের নয়াপাড়া এলাকার আজাহারুলের ছেলে আবুল বাসার ও জুয়েল মিয়ার ছেলে মিলন মিয়াসহ অজ্ঞাত একজনকে আসামি করে মামলা করেন। পরে পুলিশ অভিযানে নেমে রাতেই জুগলী ইউনিয়নের নয়াপাড়া এলাকা থেকে মিলন মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ছাড়া অপরাধে ব্যবহৃত একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক জব্দ করেছে।
পরে গতকাল বেলা আড়াইটার দিকে উপজেলার ধারা ইউনিয়নের কুতিকুড়া এলাকা থেকে হালুয়াঘাট থানার উপ-পরিদর্শক এসাই শুভ্রসাহা অভিযান চালিয়ে প্রধান অভিযুক্ত আবুল বাশারকে গ্রেপ্তার করেন।
এর আগে মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে জুগলি ইউনিয়নের নয়াপাগা গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার হন তার সহযোগী মিলন মিয়া (২১)। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন হালুয়াঘাট থানার ওসি হাফিজুল ইসলাম, নবাগত সার্কেল অফিসার মিজানুর রহমান ও বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।