× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

ধর্ষণ ও হত্যার প্রধান আসামির মৃত্যুদণ্ড, সহযোগীর কারাদণ্ড

আমতলী (বরগুনা) প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৭ আগস্ট ২০২৫ ১৮:৪১ পিএম

ধর্ষণ ও হত্যার প্রধান আসামির মৃত্যুদণ্ড, সহযোগীর কারাদণ্ড

ষষ্ঠ শ্রেণির মাদ্রাসা পড়ুয়া এক ছাত্রীকে অপহরণ করে হত্যার অভিযোগে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় প্রধান আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও সহযোগী আসামিকে পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। 

বুধবার (২৭ আগস্ট) বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা জজ লায়লাতুল ফেরদৌস এ রায় ঘোষণা করেন। 

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলো- বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলার পূঁজাখোলা ইসলামপুর গ্রামের শহিদুল ইসলাম খানের ছেলে হৃদয় খান (২০)। তার সহযোগী জাহিদুল ইসলাম (১৯)। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিল। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন নারী ও শিশু আদালতের বিশেষ পিপি রনজুয়ারা সিপু।

জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি ওই দুই আসামি হৃদয় ও জাহিদুলের বিরুদ্ধে মাদ্রাসাছাত্রীর বাবা অভিযোগ করেনÑ তার ১২ বছরের মেয়েকে (তানজিলা) ঘরে রেখে ৫ ফেব্রুয়ারি সকালে ঘুম থেকে জেগে পাশের বাড়ির ক্ষেতে শাক তুলতে যায়। কিন্তু ঘরে ফিরে মেয়েকে পায়নি। দুপুর পর্যন্ত বাড়িতে ফিরে না আসায় তার বাবা ও মা বিভিন্ন স্থানে খুঁজতে থাকেন। পরের দিন ৬ ফেব্রুয়ারি বাবা বাদী হয়ে আমতলী থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। বাদীর ছেলে ইমরান তার বাবাকে জানায়, তার ফোনে অজ্ঞাত একজন মেসেজ দিয়ে ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। মুক্তিপণ দিলে মাদ্রাসাছাত্রীকে ছেড়ে দেবে। বাদী বিষয়টি পুলিশকে জানান। ওই ম‌্যাসেজের সূত্রধরে পুলিশ প্রধান আসামি হৃদয় খানকে ৭ ফেব্রুয়ারি গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পারেন ৫ ফেব্রুয়ারি বাদীর মেয়েকে মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে অপহরণ করে। পরে মুক্তিপণ না পেয়ে আমতলীর একই এলাকার নূর মোহাম্মাদ খানের বাড়ির সামনে হোগল পাতার মধ্যে নিয়ে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের কথা বলে দিতে পারে এমন আশঙ্কায় ওই মেয়ের হিজাব দিয়ে হৃদয় তাকে গলায় ফাঁস লাগিয়ে হত্যা করে। আসামি হৃদয় আমতলীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের কাছে ৮ ফেব্রুয়ারি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। হৃদয় খানের দেখানো মতে পুলিশ মাদ্রাসাছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে।

বাদী বলেন, আমার নাবালিকা মেয়েকে আসামি হৃদয় অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করে। মুক্তিপণ না পেয়ে  ধর্ষণ শেষে হত্যা করে মরদেহ হোগলা পাতার মধ্যে লুকিয়ে রাখে। আমি ন্যায়বিচার পেয়েছি। তিনি আরও বলেন, দ্রুত রায় বাস্তবায়ন হলে আমার মেয়ের আত্মা শান্তি পাবে।

আসামি পক্ষের আইনজীবী আবদুল ওয়াসি মতিন বলেন, বাদী অভিযোগ করেছে তার মেয়েকে অপহরণের পরে ধর্ষণ করে হত্যা করেছে। মেডিকেল রিপোর্টে ধর্ষণের কোনো আলামত নেই। এ রায়ের বিরুদ্ধে আমার মক্কেল উচ্চ আদালতে আপিল করবে।

বরগুনা নারী ও শিশু আদালতের  আইনজীবী (রাষ্টপক্ষের বিশেষ পিপি) রনজুয়ারা সিপু বলেন, এটি জঘন্য অপরাধ। ১২ বছরের একটি ছোট মেয়েকে অপহরণ করে ধর্ষণ শেষে হত‌্যা করেছে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা