কুমিল্লা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ আগস্ট ২০২৫ ১৬:৫৪ পিএম
আপডেট : ২০ আগস্ট ২০২৫ ১৬:৫৫ পিএম
রায় ঘোষণা শেষে আসামিদের কারাগারে নেওয়া হয়
কুমিল্লার তিতাসে ৭ বছর বয়সি এক শিশুকে হত্যার দায়ে একজনের মৃত্যুদণ্ড ও আরেকজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২০ আগস্ট) দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক সাব্বির মাহমুদ চৌধুরী এই রায় দেন। রায় দেওয়ার সময় দুই আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. ইকরাম হোসেন জানান, ২০২৩ সালের ১৬ আগস্ট বিকালে শিশু সায়মন তিতাসের বাতাকান্দি বাজারে যায়। সেখান থেকে কোমলপানীয় কিনে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় ১৮ আগস্ট তিতাস থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। পরে ১৯ আগস্ট সকালে বজলুর রহমানের বালুর মাঠের ঝোপের ভেতর থেকে সায়মনের অর্ধগলিত পোড়া মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সায়মনের মা খোরশেদা আক্তার তার চাচি শেফালী বেগম এবং অজ্ঞাতপরিচয় ৫-৬ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। পরে এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামি শেফালী বেগম ও বিল্লাল পাঠানকে গ্রেপ্তারের পর আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠান। অভিযোগপত্র দায়ের ও শুনানি শেষে ১৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামি বিল্লাল পাঠানকে মৃত্যুদণ্ড এবং সায়মনের চাচি শেফালী বেগমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদেরকে দুইজনকেই লাশ গুমের অভিযোগে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানার সাজাও ঘোষণা করেন বিচারক।
আইনজীবী মো. ইকরাম হোসেন জানান, চাচি শেফালী বেগমের সঙ্গে বিল্লাল পাঠানের অনৈতিক সম্পর্ক দেখে ফেলায় শিশু সায়মনকে হত্যা করে লাশ গুম করা হয়।
সায়মনের মা খোরশেদা আক্তার বলেন, আমি এই রায়ে সন্তুষ্ট। রাষ্ট্রের কাছে সন্তান হত্যাকারীদের শাস্তি দ্রুত বাস্তবায়নের আবেদন জানাচ্ছি।