× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ জাতীয় রাজনীতি সারা দেশ আন্তর্জাতিক অর্থনীতি খেলা বিনোদন মতামত চাকরি-ক্যারিয়ার শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

টিআর প্রকল্পের কাজ না করেই বিল উত্তোলনের অভিযোগ

কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১২ আগস্ট ২০২৫ ১৪:০৪ পিএম

টিআর প্রকল্পের কাজ না করেই বিল উত্তোলনের অভিযোগ

গ্রামীণ উন্নয়ন অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণের আওতায় (টিআর-কাবিখা) কাজ না করেই বিল উত্তোলন করার অভিযোগ উঠেছে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলা বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) লতিফুর রহমানের বিরুদ্ধে। মাঠ পর্যায়ে ঘুরে এসব প্রকল্পের তেমন কোনো কাজ দেখা যায়নি। 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন (টিআর) প্রকল্পের আওতায় বড়ভিটা ইউনিয়নের ঘোণপাড়ায় পূর্বনির্মিত এইচবিবি রাস্তার শেষ প্রান্ত থেকে গাইডওয়াল নির্মাণ ও মাটি ভরাটের জন্য ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এতে প্রকল্প সভাপতি ছিলেন ওই এলাকার সাজিউর রহমান সাজু। তিনি ওই রাস্তায় নামমাত্র মাটি ভরাট করে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জোগসাজশে বিল উত্তোলন করেছেন। পুটিমারি ইউনিয়নের মন্থনা মাদ্রাসার পেছনে ব্রিজের ইউং গাইডওয়াল নির্মাণ ও রাস্তা সংস্কারের জন্য কাবিখা প্রকল্প থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এতে প্রকল্প সভাপতি করা হয়েছে ওই ইউনিয়নের নারী ইউপি সদস্য শ্যামলী রানী রায়কেÑ তবে তিনি এসব কাজের বিষয়ে তেমন কিছু জানেন না।

গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এতিম, দুস্থ ও  গ্রামীণ অবকাঠামোর বিভিন্ন প্রকল্প কাজ না করেই উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার জোগসাজশে বিল উত্তোলন করা হয়েছে। এতে অনেক প্রকল্পে নামমাত্র কাজ করা হলেও সেটির স্থায়িত্ব খুব কম। ঠিকমতো কাজ না হওয়ায় ঝুঁকি নিয়েই এসব রাস্তায় চলাচল করতে হয় পথচারীদের। টিআর বরাদ্দের প্রত্যেক প্রকল্পে কাজের ধরনের বিবরণ দিয়ে সাইনবোর্ড দেওয়ার কথা থাকলেও কোথায় দেওয়া হয়নি।

স্থানীয় বাসিন্দা আলতাফ হোসেন বলেন, এখানে শুনেছি কাজ করার জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছেÑ তবে তেমন কোনো কাজ হয়নি। এটিতে আগে যেমন ভাঙা ছিল এখনো একই অবস্থায় আছে সেদিন শুধু রাস্তায় বালু ফেলে উঁচু নিচু সমান করে দিয়েছে। আবার একদিন সাংবাদিক এসেছিল তারা আসার পরে পুনরায় নামমাত্র একটু কাজ করেছে।

এবিষয়ে প্রকল্প সভাপতি সাজিউর রহমান সাজু বলেন, আপনি আপাতত থামেন ভাই, আপনার সঙ্গে আমার দেখা হোক তারপর এসব করেন। আপনাকে ব্যাপারটা একটু বুঝতে হবে আমি একটা  প্রতিষ্ঠান চালাই, এ বিষয়ে আপনার সঙ্গে সাক্ষাতে কথা বলব।

আর এক প্রকল্প সভাপতি নারী ইউপি সদস্য শ্যামলী রানী রায় বলেন, আমার নামে একটা  প্রকল্প বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, আমি সেটা জানি। তবে আমার প্রকল্পে কতটুকু কাজ হয়েছে কিংবা বিল উত্তোলন করা হয়েছে কিনা সে বিষয়ে আমি কিছু জানি না। পিআইও অফিসের লিটন এবং আমার স্বামী এসব  প্রকল্পের টাকা উত্তোলন করেছে শুনেছি। তবে কাজ কিংবা বিল এসব বিষয়ে আমি তেমন কিছু জানি না।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) লতিফুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কল রিসিভ করেনি। ক্ষুদে বার্তা পাঠালেও তিনি কোনো উত্তর দেননি। নীলফামারী জেলা ত্রাণ ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা মনোয়ার হোসেন বলেন, এ বিষয়ে আমার জানা নেই, আপনি যেহেতু বললেন বিষযটি খতিয়ে দেখা হবে।

শেয়ার করুন-

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা