আমতলী (বরগুনা) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৮ আগস্ট ২০২৫ ১৫:৩২ পিএম
পৌরসভা কার্যালয়ের সামনের সড়কে এভাবেই নির্মাণসামগ্রী ফেলে রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার তোলা। প্রবা ফটো
বরগুনার আমতলী পৌরসভা কার্যালয়ের সামনের সড়কে নির্মাণসামগ্রী রাখা হয়েছে। সড়কজুড়ে নির্মাণ সামগ্রী রাখায় যানবাহন ও এ এলাকার ১৫ হাজার মানুষ চলাচলে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। দ্রুত এ নির্মাণসামগ্রী অপসারণের দাবি ভুক্তভোগীদের।
জানা গেছে, গত বছর জুলাই মাসে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে আমতলী পৌরসভার কেন্দ্রীয় লেকে সৌন্দর্য্য বর্ধনে ১২ কোটি ৫৬ লাখ ৯৮ হাজার ৩২৩ টাকা বরাদ্দ হয়। মেসার্স ইসলাম ব্রাদার্স লিমিটেড নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ওই কাজটি পায়। শুরুতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি পৌরসভা কার্যালয়ের সামনের সড়কে নির্মাণসামগ্রী রেখে কাজ শুরু করে। ওই সময় থেকেই যানবাহন ও মানুষ চলাচলে ভোগান্তির শিকার হয়। গত দুই মাস ধরে নির্মাণকাজ বন্ধ রয়েছে। কিন্তু ওই প্রকল্পের নির্মাণসামগ্রী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সড়কে ফেলে রাখে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, গত দুই মাস ধরে লেকের কাজ বন্ধ কিন্তু সড়কে নির্মাণসামগ্রী ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।এ সড়ক দিয়ে একে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, পৌরসভা কার্যালয়ে সেবা গৃহিতা ও পৌর শহরে অন্তত ১৫ হাজার মানুষ যাতায়াত করছেন। নির্মাণসামগ্রী সড়কে ফেলে রাখায় যানবাহন ও মানুষ চলাচলে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। দ্রুত সড়কজুড়ে ফেলে রাখা নির্মাণসামগ্রী অপসারণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
বৃহস্পতিবার (০৭ আগস্ট) সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, সড়কের বেশিরভাগ স্থানজুড়ে নির্মাণসামগ্রীর পাথর স্তূপ করে রাখা হয়েছে।
ব্যাটারিচালিত অটোরিক্সাচালক ইসমাইল হোসেন বলেন, সড়কে নির্মাণসামগ্রী রেখে দেওয়ায় গাড়ি চালাতে সমস্যা হচ্ছে। অনেক সময় পাথর গাড়ির চাকার নিচে পড়ে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা থাকে। দ্রুত সড়ক থেকে নির্মাণসামগ্রী অপসারণের দাবি জানান তিনি।একই কথা বলেন মাহেন্দ্র চালক সোলায়মানও। পৌরসভা কর্তৃপক্ষ দেখে না দেখার ভাণ করছে।
পথচারীরা বলেন, সড়কে বালু ও পাথর স্তূপ করে রাখায় গাড়ি ও মানুষ চলাচলে বেশ সমস্যা হচ্ছে। যেহেতু কাজ বন্ধ সেহেতু নির্মাণসামগ্রী সরিয়ে ফেলাই ভালো।
প্রকল্পের রিজিওনাল কো-অর্ডিনেটর এএসএম আবুল কালাম বলেন, প্রজেক্টের জায়গা না থাকায় নির্মাণসামগ্রী সড়কের পাশে রাখা ছিল। ওই নির্মাণ সামগ্রীগুলো দ্রুত সরিয়ে নেয়া হবে।
আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মোঃ রোকনুজ্জামান খান বলেন, মানুষের ভোগান্তি দিয়ে কোন কাজ করা যাবে না। দ্রুত সময়ের মধ্যেই সড়কে নির্মাণসামগ্রী সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।