মিঠাপুকুর (রংপুর) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ জুলাই ২০২৫ ২১:৫২ পিএম
আপডেট : ২০ জুলাই ২০২৫ ২২:০০ পিএম
রংপুরের মিঠাপুকুরের বালারহাট ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামের রাস্তার পাশ থেকে ৩ লাখ টাকা দামের সরকারি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গাছগুলো কেটে নিয়েছেন বালারহাট হামিদীয়া আলিম মাদ্রাসার সুপার তাহেরুল ইসলাম।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধির বাধা উপেক্ষা করেই গাছগুলো কাটা হয়েছে বলে দাবি করেছেন ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল হাসনাত রতন।
রবিবার (২০ জুলাই) সকালে ওই এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, শ্রমিকরা ৩টি মেহগনি গাছ কেটে পাশের জমিতে ফেলেছেন। বাকি আরও ৮টি ইউক্যালিপ্টাস গাছ কেটে নিয়ে বাড়িতে গেছেন সুপার তাহেরুল ইসলাম। উপজেলার ৫ নম্বর বালারহাট ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামের চৌপথি থেকে কাঠালতলী জামে মসজিদ এলাকায় সবুজে ঘেরা পায়ে হাঁটার কাঁচা রাস্তার দু-ধারে বেশ বড় বড় বাহারি গাছের সারি রয়েছে। রাস্তার ধারের জমির মালিক তাহেরুল ইসলাম নিজের হাতে লাগানো গাছ দাবি করে গত ১০ জুলাই থেকে ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে গাছগুলো কেটে নিয়েছেন।
বালারহাট ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হাসনাত রতন দাবি করে বলেন, গাছগুলো রাস্তার। প্রায় দেড় যুগ আগে গাছগুলো লাগানো হয়। তবে বালারহাট হামিদীয়া আলিম মাদ্রাসার সুপার তাহেরুল ইসলাম গাছগুলো লাগিয়েছেন দাবি করে কেটে নিয়েছেন। এই গাছ কাটা ঠিক হয়নি। আমি তাকে আইন মেনে গাছ কাটার পরামর্শ দিয়েছিলাম। তিনি শোনেননি। পরে গাছ কাটার খবর পেয়ে এতে বাধা দেওয়ার জন্য চৌকিদার আকমল এবং খায়রুল ও ইউপি সদস্য আনোয়ারকে দায়িত্ব দিয়েছি। এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের মিটিং করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বালারহাট হামিদীয়া আলিম মাদ্রাসার সুপার তাহেরুল ইসলাম দাবি করে বলেন, জমির পাশে তিনি গাছ লাগিয়েছেন। তার জমিতেই গাছগুলো ছিল বলে তিনি কেটে নিয়েছেন। এর বেশি কিছু বলতে পারবেন না বলে জানান তিনি।
উপজেলা ইউএনও জিল্লুর রহমান জানান, সরকারি রাস্তার পাশ থেকে গাছ কাটার কোনো সুযোগ নেই। কেউ যদি এই ধরনের কাজ করে থাকে তবে তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।