কুষ্টিয়া প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩১ মে ২০২৫ ২২:২৮ পিএম
আপডেট : ৩১ মে ২০২৫ ২২:৩৫ পিএম
গত বছরের ৫ আগস্ট কুষ্টিয়া মডেল থানায় আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষুব্ধ জনতা। এতে দোতলা থানা ভবন পুড়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। এমন অবস্থাতেই পোড়া ভবনে রঙ ও মেরামত করে কার্যক্রম শুরু করে থানা পুলিশ।
শনিবার (৩১ মে) বিকালে কুষ্টিয়া মডেল থানার কার্যক্রম উদ্বোধন উপলক্ষে থানা চত্বরে এক সুধী সমাবেশের আয়োজন করে জেলা পুলিশ। কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল হক। সমাবেশ শুরু হওয়ার আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রেজাউল হক বলেন, ‘পুলিশের চাকরি করে সব মানুষকে সন্তুষ্ট করা খুবই কঠিন। আল্লাহ যদি কাউকে ঐশ্বরিক ক্ষমতা দেন হয়তো-বা তার দ্বারা সম্ভব। বাংলাদেশে বা পৃথিবীতে জন্ম নিয়ে অনেকগুলো মানুষকে সন্তুষ্ট করা সম্ভব নয়।’
সুধী সমাবেশে আরও বক্তৃতা দেন কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কুতুব উদ্দিন আহমেদ, সদস্য সচিব প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার, কুষ্টিয়া সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সোহরাব উদ্দিন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুষ্টিয়া জেলা শাখার সদস্য সচিব মুস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।
এ সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা, গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও নাগরিক কমিটির প্রতিনিধির বক্তব্যের বিরোধিতা করে সমাবেশস্থলে হট্টগোল শুরু করেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। এক পর্যায়ে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আল আমিন কানাই, জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন, যুবদল নেতা শরীফসহ বেশ কজন তাদের দিকে তেড়ে যান। পরে পুলিশ ও উপস্থিত ব্যক্তিরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বিএনপি নেতা আল আমিন কানাই বলেন, ‘আন্দোলনে সব থেকে বড় ভূমিকা পালন করেছি আমরা। ৫ আগস্টের পর পুলিশকে আমরা শেল্টার দিয়ে কাজে ফিরিয়েছি আর পুলিশের প্রোগ্রামে আমাদের বলা হয় না। আবার বিএনপির বিরুদ্ধে বক্তৃতা দেয় ছেলেপেলেরা।’ কামাল উদ্দিন বলেন, ‘মঞ্চে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের উঠিয়ে আমাদের সামনে বসিয়ে রাখা অপমানজনক। আবার এরা বিএনপি বিরোধিতা করে বক্তৃতা দেয়। পুলিশকে আমি সহযোগিতা করেছি। অথচ আমাদের বলা হয়নি।