ঈদযাত্রা
কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৭ মার্চ ২০২৫ ২৩:৩৪ পিএম
প্রবা ফটো
ঈদ এলেই পাওয়া যায় লম্বা ছুটি। এই ছুটিতে প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে মানুষ ছুটে যায় গ্রামের বাড়িতে। এক সঙ্গে লাখো মানুষের ছুটে চলার কারণে মহাসড়কে বাড়ে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ। এর ধারাবাহিকতায় গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) সকাল থেকেই যানবাহনের চাপ বেড়েছে কয়েকগুণ। তবে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
মহাসড়কের নিরাপত্তা রক্ষায় পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবক শিক্ষার্থীরা কাজ করছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় যানবাহন এবং ঘরমুখো মানুষের ব্যাপক চাপ বেড়েছে। সেখানে সার্ভিস লেনে যাত্রী উঠানামা করানোর জন্য কিছুটা জটলা থাকলেও মূল সড়কে কোনো যানজট নেই। অনেকটা স্বস্তি নিয়ে মানুষ চলাচল করছে। এই মহাসড়কের সবচেয়ে ব্যস্ততম এলাকা চন্দ্রা স্টেশনে যাত্রী ও পরিবহনগুলো ভিড় করছে। গাজীপুরের কারখানাগুলো বেশকিছুতে আজকেও ছুটি দেওয়া হয়েছে। যানজট এড়ানোর জন্য ঘরমুখো যাত্রীরা আগেভাগেই বাড়ি ফিরছেন। যাত্রীদের অনেকেই বেশি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ করেছেন।
পুলিশ জানায়, ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা এলাকায় যাত্রীরা ভিড় করছেন। অনেকেই কাঙ্ক্ষিত গাড়ির জন্য অপেক্ষা করে আছেন। স্টেশনগুলোতে সারি সারি বাস দাঁড়িয়ে যাত্রীর জন্য অপেক্ষা করছে। তবে কোথাও কোনো যানজট পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।
জেলায় ২ হাজার ১৭৬টি ছোট বড় কলকারখানা রয়েছে। এরমধ্যে ১ হাজার ১৫৪টি পোশাক কারখানা। এসব কারখানায় কাজ করেন প্রায় ২২ লাখ কর্মী। ইতোমধ্যে অনেক কলকারখানা ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ঈদের ছুটি শুরু হয়েছে। যানজট থেকে রেহাই পেতে ঘরমুখো মানুষেরা আগেভাগেই ঈদযাত্রা শুরু করেছেন।
স্থানীয় স্টার্লিং কারখানার শ্রমিক আলিমুজ্জামান বলেন, তাদের কারখানা ছুটি কাল হওয়ার কথা থাকলেও তিনি যানজটের কথা চিন্তা করে আজ সকালেই স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে বাড়ি ফিরছেন ঈদ উদযাপন করতে।
শ্রমিক নারগিস আক্তার বলেন, বগুড়ায় যাওয়ার জন্য সকল ৭টা থেকে অপেক্ষা করছেন চন্দ্রা এলাকায়। অনেক গাড়ি থাকলেও ভাড়া চাইছে বেশি।
নাওজোর হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রইছ উদ্দিন বলেন, মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। তবে কখনো কখনো জটলার সৃষ্টি হলেও তা খুব একটা সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে না। যানজট নিরসনে পুলিশের ৩০০ এবং জেলা পুলিশের ৩০০ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।