× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

দেশে ১৫ লাখ মেট্রিক টন চাল মজুত আছে

চট্টগ্রাম অফিস

প্রকাশ : ০৬ মার্চ ২০২৫ ২০:১৭ পিএম

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

আজকের হিসেব অনুযায়ী ১৫ লাখ ১৫ হাজার মেট্রিক টনের মতো চাল মজুত আছে বলে জানিয়েছেন খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবীর। 

তিনি বলেন, আমরা এখন স্টেবল পজিশনে আছি। চাহিদা এবং মজুত যথাযথ আছে। ১৩ লাখ, সাড়ে ১৩ লাখের নিচে মজুত থাকলে, আমরা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকি। বর্তমানে বিভিন্ন দেশ থেকে আমাদের মোট সাড়ে সাত লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির চুক্তি আছে। চাহিদা ও মজুত পরিস্থিতি দেখে আমরা প্রয়োজনে আবারও চুক্তি করবো, আবার চাল নিয়ে আসব।

বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) দুপুরে চট্টগ্রাম বন্দরের ‘চট্টগ্রাম কনটেইনার টার্মিনাল’ (সিসিটি-১) জেটিতে পাকিস্তান থেকে আমদানি করা চাল খালাস কার্যক্রম পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন।

খাদ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবীর বলেন, চুক্তির বিপরীতে এই পর্যন্ত তিন লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন চাল এসেছে। এটা শুধু পাকিস্তান না, বিভিন্ন দেশ থেকে রিসিভ করেছি। ভারত, পাকিস্তান, মায়ানমার, ভিয়েতনাম থেকে চাল এসেছে। আশা করছি রমজানের মধ্যে আরও ১ লাখ মেট্রিক টনের মতো চাল আমাদের এখানে আসবে, যেগুলো পাইপলাইনে আছে।

তিনি বলেন, পাকিস্তানের সঙ্গে ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির চুক্তি হয়েছে। পাকিস্তান থেকে মোট ৫০ হাজার মেট্রিক টন আতপ চাল আসবে। এরমধ্যে এখন যে জাহাজটা এসেছে সেখানে ২৬ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন এসেছে। পাকিস্তানে ভালো চাল উৎপাদন হয়। চাল আমদানির ক্ষেত্রে পাকিস্তান বাংলাদেশের জন্য একটি ভালো উৎস। এই ধরনের বিকল্প উৎস যত থাকবে, ক্রেতা হিসেবে আমাদের তত সুবিধা হয়। সরবরাহ যত বেশি হবে, ক্রাইসিস তত কমবে।

এতো আমদানির পরও চালের দাম কমছে না কেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, আপনারা জানেন, আমাদের সারাদেশে ওএমএস কার্যক্রম চলমান আছে। ১০ হাজার ৪৩ জন আমাদের ওএমএস ডিলার আছেন। এর বাইরে খাদ্যবান্ধব যে কর্মসূচি আছে, সেখানে ৫০ লাখ কার্ডহোল্ডার আছে, যারা মাসে ৩০ কেজি করে চাল পাচ্ছেন। আমাদের যে অবজারভেশন, মার্কেটটা এখন ডাউন আছে আগের তুলনায়।

গত ১৪ জানুয়ারি ঢাকায় সরকারি পর্যায়ে পাকিস্তান থেকে ৫০ হাজার টন চাল আমদানির সমঝোতা স্মারক সই হয়। এর আওতায় গত মঙ্গলবার পাকিস্তানের কাসিম বন্দর থেকে চালেল প্রথম চালান নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছে পাকিস্তানি পতাকাবাহী জাহাজ ‘এমভি সিবি’। জাহাজটি বুধবার সিসিটি-১ জেটিতে ভেড়ানো হয়।

বৃহস্পতিবার রাত থেকে চাল খালাস শুরু হওয়ার কথা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বন্দর সচিব ওমর ফারুক। জাহাজটির স্থানীয় প্রতিনিধি রেনু শিপিং লাইন্সের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আরফান বলেন, পাকিস্তান থেকে আমদানিকৃত চালের প্রথম চালানের বাকি চাল শিগগিরই চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছবে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা