গাজীপুর প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১২:৩০ পিএম
আপডেট : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১২:৪৮ পিএম
গাজীপুরে হামলায় আহতদের দেখতে হাসপাতালে আসেন সমন্বয়ক হাসনাত ও সারজিস। প্রবা ফটো
গাজীপুরে সাবেক মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের বাড়িতে মারধরের শিকার হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছাত্র-জনতাকে দেখতে আসেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতেই আহত ব্যক্তিদের গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দেখতে আসেন তারা।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন গাজীপুরের নেতারা বলেন, তারা শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আহত ব্যক্তিদের খোঁজখবর নেন। তারা হামলার সঠিক বিচার হবে বলে আশ্বাস দেন।
শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে গাজীপুরে সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের বাড়িতে হামলা চালিয়েছেন একদল জনতা। এ সময় স্থানীয় কিছু ব্যক্তি তাদের কয়েকজনকে আটক করে মারধর করেন। এতে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা অবনতি হলে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা ও আহত শিক্ষার্থীরা বলছেন, ধানমন্ডি ভাঙচুরের ঘটনার পর আমরা গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় প্রচার করেছি কোথাও ভাঙচুর হলে আমাদের জানাতে। শুক্রবার রাতে আমাদের কাছে খবর আসে ধীরাশ্রম এলাকায় সাবেক মন্ত্রীর বাড়িতে হামলা ও লুটপাট হচ্ছে। এটি শোনার পর প্রতিহত করতে আমাদের শিক্ষার্থীরা রওনা হয়। দ্রুত ১৫ জন ঘটনাস্থলে চলে যায়। সেখানে গিয়ে দেখা যায় লুটপাট হচ্ছে। এটি বাধা দিলে পেছন থেকে হুট করে অনেক মানুষ জড়ো হয়ে যায়। মুখ বাঁধা কিছু লোক হাতে রাম দা-হাতে তাদের ওপর হামলা করে। অন্য শিক্ষার্থীরা আসার আগেই ওই ১৫ জনকে ছাদে নিয়ে বেধড়ক পেটায়, কুপিয়ে জখম করে। পরে অন্য শিক্ষার্থীরা ঘটনাস্থলে গেলে তাদেরকেও পেটায়। পুলিশকে জানানো হলে দুই ঘণ্টা পর ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার করে। পরে ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনীও আসে।
ওই ঘটনার পরে রাতেই শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিভিন্ন শিক্ষার্থী ও আহতদের স্বজনরা আহাজারি করে। পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে বিক্ষোভ করেন। বর্তমানে নাগরিক কমিটির ব্যানারে রাজবাড়ি মাঠে বিক্ষোভ সমাবেশ চলছে। আজ দুপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও অন্যান্য সংগঠনের বিক্ষোভ রয়েছে।