নড়াইল প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ২২:০৮ পিএম
আপডেট : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ২২:১৭ পিএম
উত্তেজিত ছাত্র-জনতা ভাঙচুর চালায়। প্রবা ফটো
নড়াইল-১ আসনের সাবেক সদস্য কবিরুল হক মুক্তির বাড়ি ও কালিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় ভাঙচুর ও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাশিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকাল সাড়ে ৪ টার দিকে উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা কালিয়া বাজারে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে এবং একটি পথসভা করে। এর পরপরই একদল উত্তেজিত ছাত্র-জনতা উপজেলা আওয়ামী লীগের অফিসে ভাঙচুর চালায়। পরে সেখানে আগুন জ্বালিয়ে দেয়। এ ঘটনার কিছুক্ষণ পর ডাক বাংলোর পাশে সাবেক সংসদ সদস্য কবিরুল হক মুক্তির কেনা একটি বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।
কালিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক স.ম ওয়াহিদুজ্জামান মিলু বলেন, ‘যখন আওয়ামী লীগ অফিস ভাঙচুর ও মুক্তির বাড়িতে আগুনের ঘটনার সময় আমাদের সভা শেষ পর্যায়ে ছিল। কে বা কারা এ কাজ করেছে তা আমরা জানি না। এর সঙ্গে বিএনপির কোনো সম্পৃক্ততা নেই।’
ওসি মো. রাশিদুল ইসলাম বলেন, ‘আগুন নেভানোর কাজ চলছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’
বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ও সন্ধ্যায় নড়াইলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল এবং ১৯৫২ থেকে ১৯৭১- এর স্মৃতি ফলকসহ ৬টি স্থাপনা বুলডোজার দিয়ে গুড়িয়ে দেয় ছাত্র-জনতা। ভাঙচুরকৃত এসব স্থাপনার মধ্যে রয়েছে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থাকা স্মৃতি ফলক ও বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল, জেলা পরিষদের ভেতরে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল, জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল, সদর উপজেলা কার্যালয়ের ভেতরে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল, নড়াইল পৌরসভার গেটে বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ম্যুরাল এবং নড়াইল সরকারি বালক বিদ্যালয়ের সামনের স্মৃতি ফলক।