× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

রাজবাড়ী

৫০ কোটি টাকার খাসজমি বিক্রির অপচেষ্টা

রাজবাড়ী প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪ ১২:৩৪ পিএম

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

রাজবাড়ীতে ৫০ কোটি টাকা মূল্যের ৩২২ শতাংশ সরকারি জমি জালিয়াতি করে বিক্রির অপচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। গত সোমবার স্থানীয় মো. মোক্তার হোসেন এ বিষয়ে রাজবাড়ী জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। জমিটি বাংলাদেশ ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের সম্পত্তি; যাহা বর্তমানে ১নং খাস খতিয়ানভুক্ত হলেও ওই সম্পত্তি মো. নাসির উদ্দিন নামের একজন জালিয়াতি করে আত্মসাতের অপচেষ্টা করছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগকারী মো. মোক্তার হোসেন রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার রতনদিয়া গ্রামের মৃত ময়নুদ্দিনের ছেলে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রাজবাড়ী সদরের চর লক্ষ্মীপুর বাচ্চুর বাড়ির ভাড়াটিয়া মো. নাসির উদ্দিন খুলনার দৌলতপুর থানার টাউন খালিশপুর গ্রামের মৃত শেখ নুরুল হুদার ছেলে। 

অভিযোগকারী মোক্তার হোসেন জানান, কাগজপত্র জালিয়াতির মাধ্যমে খাসজমিটি বিক্রির চেষ্টাকারী মো. নাসির উদ্দিনের নানা মৃত ফজলুর রহমান তার পরিবারসহ ১৯৫৬ সালে ভারত থেকে বাংলাদেশে এসে রাজবাড়ী সদর থানায় রিফুজি হিসেবে বসবাস শুরু করেন। রিফুজি হওয়ায় তৎকালীন সরকার ১৯৫৬ সালের ২৯ মার্চ তাদের নামে ৩২২ শতাংশ জমি বরাদ্দ করেন। বরাদ্দে উল্লেখ থাকে, ধার্যকৃত টাকা তিন কিস্তিতে পরিশোধ করলে রিফুজি পরিবারের নামে সরকার তাকে জমিটির রেজিস্ট্রি দেবে। কিন্তু মৃত ফজলুর রহমান এক কিস্তি পরিশোধের পর আর কোনো কিস্তি প্রদান না করায় সরকার জমিটি তার নামে রেজিস্ট্রি দলিল করে দেয়নি। তবে তার নাম এসএ রেকর্ডভুক্ত হওয়া ১৯৯১ সাল পর্যন্ত খাজনা প্রদান হয়। ১৯৯১ সালে সরকার সকল রিফুজি পরিবারের সম্পত্তির খাজনা নেওয়া সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেওয়ায় জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় থেকে এ পর্যন্ত এই জমির খাজনা পরিশোধ করে আসছে। কিন্তু নাছির উদ্দিন  মিথ্যা ওয়ারিশ সনদ গ্রহণ করে প্রায় এক বছর আগে আরএস ১১৭৮ নম্বরের ১৪৬ শতাংশ ১নং খাস নতিভুক্ত জমিটি দখলের চেষ্টা করেন। সেদিন নাসিরের সঙ্গে স্থানীয়দের বিরোধ সৃষ্টি হওয়ায় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নাসির ও তার সন্ত্রাসীদের আটক করে থানায় নিয়ে আসে। সেদিন নাসির ওই জমিতে আর যাবে না মর্মে থানায় মুচলেকা দিয়ে আসেন। 

তিনি আরও বলেন, খাস খতিয়ানভুক্ত সম্পত্তি জেলা প্রশাসকের অনুমতি ছাড়া কোনো ব্যক্তি ক্রয় কিংবা বিক্রয় বা ব্যবহার করতে পারবেন না। 

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মো. নাসির উদ্দিন বলেন, ‘মূলত একটি জমি নিয়ে বিরোধের কারণে মোক্তার হোসেন জেলা প্রশাসক বরাবর এ মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছেন।’

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা