× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিকাশে সাহিত্য-সংস্কৃতির বিকল্প নেই : সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

মধ্যাঞ্চলীয় ব্যুরো

প্রকাশ : ২৩ নভেম্বর ২০২২ ২১:৪২ পিএম

আপডেট : ২৩ নভেম্বর ২০২২ ২২:১৭ পিএম

সাহিত্য মেলা উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। ছবি : সংগৃহীত

সাহিত্য মেলা উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। ছবি : সংগৃহীত

আগামী বছর প্রথমার্ধে ঢাকায় জাতীয় সাহিত্য উৎসব করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। 

কিশোরগঞ্জ দজেলা শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত সাহিত্য মেলার উদ্বোধন পর্বে বুধবার (২৩ নভেম্বর) প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই ঘোষণা দেন তিনি। 

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাহিত্য সংস্কৃতির দিক থেকে কিশোরগঞ্জের রয়েছে ঐতিহ্য। এ জনপদে জন্ম নেন কবি দ্বিজবংশী দাস, মধ্যযুগের নারী কবি চন্দ্রাবতী, শিশু সাহিত্যের পথিকৃৎ উপেন্দ্র কিশোর রায় চৌধুরী, ছান্দসিক ছড়াকার সুকুমার রায়, মনির উদ্দীন ইউসুফ, রাহাত খানসহ প্রথিতযশা আরও অনেক সাহিত্যিক। রাজনীতির ক্ষেত্রে এ জনপদকে যারা আলোকিত করেছেন, তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন মুক্তিযুদ্ধকালীন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান, রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, শহীদ আইভি রহমান, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম প্রমুখ।

তিনি বলেন, রাজনীতি ও সংস্কৃতির মিথস্ক্রিয়ায় কিশোরগঞ্জ সাহিত্য-সংস্কৃতির একটি উর্বর জনপদে পরিণত হয়েছে। সংস্কৃতিবান্ধব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগ্রহে দেশে শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশ সাধনে বর্তমান সরকার বদ্ধ পরিকর। কারণ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিকাশে সাহিত্য-সংস্কৃতির বিকল্প নেই। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সব কবি-সাহিত্যিককে উদ্বুদ্ধ আহ্বান জানান তিনি

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধন পর্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলামের কন্যা কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দা জাকিয়া নূর লিপি।

তিনি কিশোরগঞ্জ জেলার সাহিত্য-সংস্কৃতির দীর্ঘ ইতিহাস তুলে ধরে বলেন, সুস্থ সাহিত্য ও সংস্কৃতি ছাড়া মানবিক জাতি গড়ে তোলা সম্ভব নয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও এই বিষয়টি অনুধাবন করেন। সেই কারণে তিনি জেলায় জেলায় সাহিত্য মেলা করার জন্য অনুমোদন দিয়েছেন। 

অন্যান্যেদের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন, বাংলা একাডেমির সচিব ও সরকারের যুগ্ম সচিব এ এইচ এম লোকমান, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জিল্লুর রহমান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখ, গল্পকার ডা. দীন মোহাম্মদ প্রমুখ। পরে শিল্পকলা একাডেমি চত্বরে প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি সাহিত্য মেলার ফেস্টুন সম্বলিত রং বেরঙের শতাধিক বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে পুরো আয়োজনকে রঙিন করে তোলেন।

পরে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফার সভাপতিত্বে দ্বিতীয় পর্বের কার্যক্রম শুরু হয়। এতে কিশোরগঞ্জের সাহিত্য ও সংস্কৃতি, কিশোরগঞ্জের ছড়া ও পুঁথি সাহিত্য এবং কিশোরগঞ্জের কথাসাহিত্য, প্রবন্ধসাহিত্য, নাট্য সাহিত্য ও অন্যান্য শীর্ষক তিনটি সু-লিখিত প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যথাক্রমে ছড়াকার ও গবেষক জাহাঙ্গীর আলম জাহান,  মো. নবী হোসেন ও সিনিয়র সাংবাদিক সাইফুল হক মোল্লা দুলু। 

পঠিত প্রবন্ধের ওপর জ্ঞানগর্ভ আলোচনা করেন সাবেক অতিরিক্ত সচিব ও কবি মনজুরুর রহমান, অধ্যক্ষ শরীফ আহমদ সাদী ও নাসির উদ্দীন ফারুকী। বিকালে তরুণ লেখকদের সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত হয় সহিত্য বিষয়ক কর্মশালা। এতে প্রশিক্ষক হিসেবে অংশ নেন কবি হাসানাত লোকমান ও রাজীব কুমার সাহা। কর্মশালায় অর্ধ-শতাধিক নবীন লেখক অংশ নেন। সন্ধ্যার পর একতা নাট্য গোষ্ঠির ‘দেওয়ান ভাবনা’ নৃত্যনাট্য এবং সংগীত ও দলীয় নৃত্য পরিবেশনার মাধ্যমে প্রথম দিনের আয়োজন সমাপ্ত হয়। সাংস্কৃতিক পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা মো. জিল্লুর রহমান। 

প্রথমদিনের পুরো আয়োজনে জেলার প্রথমসারির কবি সাহিত্যিক, ছড়াকার ও সংস্কৃতিকর্মীসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার তিন শতাধিক সাহিত্যিক ও সংস্কৃতিকর্মী অংশ নেন। 

বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) সাহিত্য মেলার সমাপনী পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে স্থানীয় কবি-সাহিত্যিকদের স্বরচিত লেখা পাঠ ছাড়াও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন থাকবে। গণ গ্রন্থাগার অধিদপ্তরের মহা-পরিচালক আবু বকর সিদ্দিক সমাপনী দিনের আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বলে উদ্যোক্তারা জানান। 

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা