নোয়াখালীর মেডিকেল কলেজ
নোয়াখালী প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ১৪:২৬ পিএম
আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২১:২৪ পিএম
মৌন মিছিলে নোয়াখালী মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা। প্রবা ফটো
বৃষ্টি উপেক্ষা করে নোয়াখালীর আব্দুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ মাহবুবুর রহমানসহ তিন শিক্ষকের পদত্যাগ দাবিতে ‘কমপ্লিট শাটডাউনে’র চতুর্থ দিন মৌন মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা। শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ শেষে আবার সেখানে ফিরে শেষ হয়।
গত ৮ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১০টা থেকে স্বৈরাচার আখ্যা দিয়ে মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ সৈয়দ জাকির হোসাইন, উপাধ্যক্ষ মাহবুবুর রহমান, ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের শিক্ষক ডা. রিয়াজ উদ্দিন ও সার্জারি বিভাগের শিক্ষক ডা. সৈয়দ কামরুল হোসাইনের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি দেন শিক্ষার্থীরা। দাবি আদায়ে শিক্ষার্থীরা ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ও অধ্যক্ষসহ চার শিক্ষককে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন। ফলে কার্যত অচলাবস্থা চলছে কলেজটিতে। বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে অবশেষে অধ্যক্ষ ডা. সৈয়দ জাকির হোসাইনকে অপসারণ করে গাজীপুরে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজে অধ্যাপক হিসেবে পদায়ন করা হয়। তবে উপাধ্যক্ষসহ তিন শিক্ষক পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
আন্দোলনকারী একজন শিক্ষার্থী বলেন, ‘বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে আমরা আন্দোলনে এসেছি। আজ আমাদের চতুর্থ দিনের মতো কমপ্লিট শাটডাউন চলছে। স্বৈরাচারী অধ্যক্ষ সৈয়দ জাকির হোসাইন পদত্যাগ করলেও এখনও বাকি স্বৈরাচারের দোসররা ক্যাম্পাসে থাকার স্বপ্ন দেখছেন। আমরা উপাধ্যক্ষ মাহবুবুর রহমান, ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের শিক্ষক ডা. রিয়াজ উদ্দিন ও সার্জারি বিভাগের শিক্ষক ডা. সৈয়দ কামরুল হোসাইনের পদত্যাগ চাই। তা না হলে আমাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।’
আরেকজন শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমাদের একটাই দাবি, খুনি ও স্বৈরাচার হাসিনার দোসর উপাধ্যক্ষ, শিক্ষক সৈয়দ ডা. কামরুল হোসাইন ও ডা. রিয়াজকে অপসারণ করতে হবে। আমরা ক্লাসে ফিরে যেতে চাই। তাই আমাদের দাবি মেনে নিলে সব সহজ হবে। নইলে আগামীতে আরও কঠোর আন্দোলন হবে। তাদের পদত্যাগ না করিয়ে আমরা ফেরত যাব না।’
কলেজের উপাধ্যক্ষ মাহবুবুর রহমান, শিক্ষক সৈয়দ ডা. কামরুল হোসাইন ও ডা. রিয়াজ উদ্দিনকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তারা রিসিভ করেননি।