চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশ : ৩০ জুলাই ২০২৪ ১৬:২৩ পিএম
কোটা সংস্কার আন্দোলনের আড়ালে বর্তমান সরকারকে বিপদে ফেলতে দেশি-বিদেশি কিছু অপশক্তি মিলে সারা দেশে নাশকতা চালিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র (প্রতিমন্ত্রী) বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী।
তিনি বলেন, ‘এটা যদি আন্দোলনই হয় তবে সেতু ভবন, মেট্রোরেল স্টেশন, হানিফ ফ্লাইওভার, বিটিভি, পুলিশ বক্স এগুলো কী দোষ করেছে? এগুলো কেন ধ্বংস করা হলো? আন্দোলনের নামে টোকাই, ভাড়া করা লোক, বেকার যুবকদের দিয়ে দেশজুড়ে নাশকতা চালানো হয়েছে।’
মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে আয়োজিত শোক সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।
মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, ‘আমি ১৯৬৬ সাল থেকে রাজনীতি করছি। আন্দোলন-সংগ্রাম করেই ছাত্রলীগ থেকে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কমিটিতে জায়গা করে নিয়েছি। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতায় বলতে পারি এটা কোনো সাধারণ আন্দোলন ছিল না, এটা ছিল রাষ্ট্র ধ্বংসের আন্দোলন।’
পুলিশের একজন সদস্যকে মেরে লাশ ঝুলিয়ে রাখা হলো জানিয়ে তিনি বলেন, ‘মুরাদপুরে ছয় তলা ভবন থেকে স্বাধীনতার পক্ষের ছাত্রদের নির্মমভাবে ফেলে দেওয়া হলো। জনগণের স্বপ্নের প্রকল্পগুলোতে বেছে বেছে হামলা চালানো হলো। এগুলোর পেছনে আসলে ছাত্ররা ছিল না, মূলত কোমলমতি ছাত্রদের আড়ালে স্বাধীনতাবিরোধীরা এই নাশকতা চালিয়েছে। এজন্য ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় ৪১টি ওয়ার্ডে জনগণের জানমাল রক্ষায় কাউন্সিলরদের সভাপতি করে কমিটি করা হচ্ছে। কমিটিতে এলাকার মসজিদগুলোর ইমাম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানসহ এলাকার গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষদের সদস্য করা হবে। আমরা মানুষকে সচেতনতন করব। শোককে শক্তিতে পরিণত করে নাশকতামূলক যেকোনো কার্যক্রমকে তৃণমূলেই রুখে দেব।’
চসিক সচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আমিনের সঞ্চালনায় সভায় অংশ নেন কাউন্সিলর আবদুস সালাম মাসুম, আইন কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন, প্রধান প্রকৌশলী শাহীন-উল ইসলাম চৌধুরী , মেয়রের একান্ত সচিব আবুল হাশেম, প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির চৌধুরী, স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট মনীষা মহাজন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চৈতি সর্ববিদ্যা, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ফরহাদুল আলম, জসিম উদ্দিন, নির্বাহী প্রকৌশলী আশিকুল ইসলাম, তাসমিয়া তাহসিন প্রমুখ।