বগুড়া অফিস
প্রকাশ : ১৭ জুলাই ২০২৪ ২০:২৩ পিএম
আপডেট : ১৭ জুলাই ২০২৪ ২০:৫২ পিএম
শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া চন্দন দে।
বগুড়ায় রথযাত্রায় বিদ্যুতায়িত হয়ে আহত আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৭ জুলাই) সকালে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মৃত চন্দন দে। রথযাত্রায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টের ঘটনায় এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা দাঁড়াল ছয়জনে।
মৃত চন্দন দে সারিয়াকান্দি পৌর এলাকার সাহাপাড়া মহল্লার বাসিন্দা।
বগুড়া পৌর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি পরিমল প্রসাদ রাজ প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, গত ৭ জুলাই বিকেলে রথযাত্রা উৎসবে সেউজগাড়ি আমতলা এলাকায় রথের চূড়া বিদ্যুতের তারে লেগে পাঁচজন নিহত এবং ৩০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে ২৮ জনকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং সুশান্ত পাল এবং চন্দন দেকে ঢাকায় (শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট) পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চন্দন দে মারা যান।
গত ৭ জুলাই রথযাত্রার শুরুর দিন বিকাল সোয়া পাঁচটার দিকে শহরের সেউজগাড়ী আমতলা মোড়ে রথের চূড়ার সঙ্গে ১১ হাজার কেভি বিদ্যুতের তারে লেগে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।
এতে মারা যান বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার গোহাইল গ্রামের মেয়ে শ্রীমতি রঞ্জিতা, আদমদিঘী উপজেলার কুন্ডু গ্রামের নরেশ মহন্ত, সদর উপজেলার তিনমাথা রেলগেটের লঙ্কেশ্বরের স্ত্রী আতসী রানী, শিবগঞ্জ উপজেলার কুলুপাড়া গ্রামের অলক কুমার এবং সারিয়াকান্দি উপজেলার বাসুদেব সাহার স্ত্রী জলী রানী সাহা।
এ ঘটনায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে দশ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।