× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

বিদ্যালয়ের গাছ কেটে নিয়ে গেলেন শিক্ষক দম্পতি

মধ্যাঞ্চল অফিস

প্রকাশ : ১২ জুলাই ২০২৪ ২২:৪৪ পিএম

আপডেট : ১২ জুলাই ২০২৪ ২২:৫২ পিএম

বিদ্যালয়ের গাছ কেটে নিয়ে গেলেন শিক্ষক দম্পতি

কিশোরগঞ্জের হাওরবেষ্টিত অষ্টগ্রাম উপজেলার অষ্টগ্রাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পাঁচটি কাছ গেটে নিয়ে গেছেন শিক্ষক দম্পতি। নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়ে ‘গোপনে’ কাজটি সেরেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসিমা আক্তার। সহযোগী ছিলেন তার স্বামী বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মিজানুর রহমান। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে এ-সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে গত রবিবার। 

সরেজমিন শুক্রবার (১২ জুলাই) কথা হয় বিদ্যালয়-পার্শ্ববর্তী কয়েকজন বাসিন্দার সঙ্গে। তারা প্রতিদিনের বাংলাদেশের কাছে জানান, গাছগুলো কাটা হয়েছে গত ২ জুলাই। শিক্ষক দম্পতি জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করার জন্য গাছগুলো বাড়িতে নিয়ে গেছেন। স্থানীয়দের ধারণা, পাঁচটি গাছের বাজার মূল্য আনুমানিক এক লাখ টাকা।

বিদ্যালয়ের সম্পত্তি ভোগ করা প্রশ্নে প্রধান শিক্ষকের স্বামী সহকারী শিক্ষক মিজানুর রহমান যুক্তি দেখিয়েছেন, পাশে বিদ্যুতের তারে হেলে পড়ায় তারা গাছ কেটেছে। সেক্ষেত্রে স্থানীয় বিদ্যুৎ অফিসে জানানো এবং গাছ কাটার ক্ষেত্রে বিধি অনুসরণ করা হয়েছে কি নাÑ এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করে গাছগুলো কাটা হয়েছে। বিদ্যুৎ অফিসে কিছু জানানো হয়নি।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২০০৩ সালের পরিপত্র অনুযায়ী, সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গাছ কাটার প্রয়োজন হলে ইউএনওর নেতৃত্বে চার সদস্যের কমিটি গঠন করতে হয়। কমিটির সদস্য সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় প্রধানের আবেদনে সভা করে গাছ কাটার প্রয়োজনীতা যাচাই করে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। পরে গাছের মূল্য নির্ধারণ করে নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করে সেই টাকা সরকারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সরকারি তহবিলে এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের তহবিলে জমা দিতে হয়। ক্ষেত্রবিশেষে গাছ কাটা সংক্রান্ত প্রতিবেদন শিক্ষা অধিদপ্তরে জমা দেওয়ার নিয়ম রয়েছে।

ইউএনওর কাছে অভিযোগ দেওয়া অষ্টগ্রাম উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক রেশেম আলী বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো গাছ বিক্রি করতে হলে উপজেলা পর্যায়ে সমন্বয় কমিটির মাধ্যমে নিলামে বিক্রি করতে হবে। শিক্ষক দম্পতি নিয়মনীতি না মেনে চুরি করে পাঁচটি গাছ কেটে ফেলেছেন। অথচ ১০ দিন পার হয়ে গেল, তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

জানতে চাইলে অষ্টগ্রামের ইউএনও দিলশাদ জাহান প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, বিদ্যালয় থেকে আমাদের এমন কিছু জানানো হয়নি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গাছ কাটতে হলে বিভিন্ন দপ্তরের অনুমতি নিতে হয়। আমরা অভিযোগ পেয়েছে, দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা