চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশ : ১২ জুলাই ২০২৪ ২১:৫০ পিএম
শুক্রবার মিয়াখান নগরের বেলোয়ার খান সওদাগর জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় শেষে সরেজমিনে জলাবদ্ধতার কারণ অনুসন্ধানে নামেন সিডিএ চেয়ারম্যান। প্রবা ফটো
চট্টগ্রাম মহানগরীর সবচেয়ে জলাবদ্ধতা প্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত ১৯ নম্বর দক্ষিণ বাকলিয়া সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ'র (সিডিএ) চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইউনুছ।
শুক্রবার (১২ জুলাই) মিয়াখান নগরের বেলোয়ার খান সওদাগর জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় শেষে সরেজমিনে জলাবদ্ধতার কারণ অনুসন্ধানে নামেন তিনি ।
সিডিএ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউনুছ এসময় মুস উদ্দেশ্যে বলেন, আমি এখানে সিডিএ'র চেয়ারম্যান হিসেবে নয়, আপনাদের খাদেম হয়ে এসেছি। আপনাদের এলাকার জলাবদ্ধতার কারণ খুঁজতে ছুটে এসেছি। আমি চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা শূন্যের কোটায় আনতে চাই। এতে আপনাদের সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। খালে-নালায় বাসাবাড়ির আবর্জনা, পলিথিন ফেলবেন না। খাল-নালা পরিষ্কার রাখা আমাদের সকলের দায়িত্ব। এছাড়া খাল রাস্তা দখল করে ঘরবাড়ি করবেন না। এ নগরীকে বাসযোগ্য ও পরিবেশবান্ধব করে গড়ে তুলতে আমাদেরকেই এগিয়ে আসতে হবে।
পরে সিডিএ চেয়ারম্যান জলাবদ্ধ স্থান নগরীর মিয়া খান নগর রোড়, মুরালি রোড়,ইসমাইল ফয়েজ রোড়, পশ্চিম পাড়া, চাক্তায় সংযোগ খাল, চাক্তায় খাল, চাক্তাই স্কুল এরিয়া, হাজী মনসুর আলী রোড় এলাকা, বদর আলী খাল, ইসহাকের পোল ও কালামিয়া বাজার এলাকা পরিদর্শন করেন। এসময় জলাবদ্ধতা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
সরেজমিন পর্যবেক্ষণ করে সিডিএ চেয়ারম্যান লক্ষ্য করেন-খাল দখল-সংকোচন, খাল-নালায় সরাসরি ময়লা, আবর্জনা, পলি বর্জ্য নিক্ষেপ, নালায় ময়লা জমার কারণে দক্ষিণ বাকলিয়া একটু বৃষ্টি কিংবা জোয়ারে জলাবদ্ধ হয়ে পড়ে।
চেয়ারম্যান বলেন, সিডিএ'র চলমান জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের কারণে ইতিমধ্যে কিছু সুফল পাওয়া যাচ্ছে। প্রকল্প শেষে জলাবদ্ধতা আর থাকবে না। এই প্রকল্পের আওতায় খাল দখলমুক্ত হবে। খাল দখলদার যতই প্রভাবশালী হোক অপসারণ করা হবে। তবে আমাদের এ সমস্যা থেকে স্থায়ী মুক্তির উপায় আমাদের হাতে। যত্রতত্র ময়লা, আবর্জনা, পলিথিন খাল, নালায় নিক্ষেপ করলে সমস্যায় পড়তে হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সগীর আহমেদ, ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাজী নুরুল হক, মো. নুরুল আলম মিয়া, নগর আওয়ামী লীগ নেতা আবদুর রহমান, ১৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি নুরুল আলম নুরু, বক্সিরহাট ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, আওয়ামী লীগ নেতা শফিউল আজম বাহার, এমআর ইয়াসিন, মহানগর ছাত্রলীগের সহ সম্পাদক আবু সালেহ নূর রিমন প্রমূখ।