চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশ : ০৭ জুলাই ২০২৪ ২২:২১ পিএম
কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ ও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরীর কাছ থেকে সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করছেন সাহেলা আবেদীন রীমা। প্রবা ফটো
কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য অ্যাগ্রিকালচারাল ইম্পর্ট্যান্ট পারসন (এআইপি) এ-২০২১ সম্মাননা পেলেন তিলোত্তমা চট্টগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারপারসন সাহেলা আবেদীন রীমা। তিনি বন্দরনগরী চট্টগ্রাম থেকে প্রথম নারী হিসেবে এই সম্মাননা পেলেন।
রবিবার (৭ জুলাই) ঢাকায় ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদের কাছ থেকে তিনি এই সম্মাননা গ্রহণ করেন। সংগঠন ক্যাটাগরিতে দ্বিতীয় স্থান লাভের গৌরব অর্জন করেছেন তিনি।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ওয়াহিদা আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী।
সাহেলা আবেদীন (রীমা) এর আগে বৃক্ষরোপণ ও ছাদ কৃষিতে অবদানের জন্য চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগ আয়োজিত বৃক্ষমেলা-২০১৯ এ দ্বিতীয় স্থান এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন আয়োজিত বৃক্ষমেলা-২০১৯ এবং ২০২২ এ বিশেষ সম্মাননা লাভ করেন।
সাহেলা আবেদীনের সামাজিক দায়বদ্ধতা, সাংগঠনিক দক্ষতা, সাংস্কৃতিক সম্পৃক্ততার শুরু স্কুলজীবন থেকেই। এখন তা বিস্তৃত পরিসরে সমাদৃত। ১৯৯৬ সাল থেকে তিনি পাড়া-মহল্লা, ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে বৃক্ষরোপণ, সামাজিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিকভাবে নানা উদ্যোগ বাস্তবায়নে সামনের সারিতে ছিলেন। উদ্যোক্তা হিসেবে গড়েছেন একাধিক প্রতিষ্ঠান। ‘একটি ছাদ হতে পারে একটি ফসলের মাঠ’ প্রধানমন্ত্রীর এ ধারণাকে অনুসরণ করে ২০১৭ সালে গড়েছেন তিলোত্তমা চট্টগ্রাম নামের সংগঠন। যার কার্যক্রম সবার নিকট সাধুবাদ পেয়েছে।
এ ছাড়া সবুজায়ন, নগর কৃষিসহ অনেক পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ গ্রহণ ও সফল বাস্তবায়নের সঙ্গে তিনি যুক্ত। যার স্বীকৃতি হিসেবে এসেছে অনেক প্রাতিষ্ঠানিক ও সামাজিক সম্মাননা। মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় স্মৃতিধন্য পরিবারের সন্তান সাহেলা আবেদীনের বড় পরিচয় তিনি সফল উদ্যোক্তা, দক্ষ সংগঠক, ডায়নামিক নেত্রী। তিনি চট্টগ্রাম উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক।
সাহেলা আবেদীনের বাবা রাউজানের ডাবুয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং ডাবুয়া ইউনিয়ন পরিষদের টানা পাঁচবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান আবদুর রহমান চৌধুরী। তিনিও বৃক্ষরোপণে অবদান রাখায় বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় কর্তৃক বৃক্ষরোপণে প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কার ২০১৩ পান।