প্রবা প্রতিবেদক, বরিশাল
প্রকাশ : ০৪ জুন ২০২৪ ২২:২৪ পিএম
আপডেট : ০৪ জুন ২০২৪ ২২:৩০ পিএম
প্রতীকী ছবি
বরিশালে জালিয়াতির মাধ্যমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কল্যাণ ভাতার কার্ড তৈরির দায়ে দুই ধারায় একজনকে আট বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি পাঁচ হাজার করে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ৩ মাস করে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৪ জুন) বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মেহেদি আল মাসুদ এ রায় দেন। দণ্ডিত বঙ্গেশ্বর ভদ্র গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার ছত্রকান্দা গ্রামের বরেন্দ্রনাথ ভদ্রের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী আবুল বাশার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মামলার বরাতে তিনি জানান, ২০১৮ সালের ২১ জুন বঙ্গেশ্বর ভদ্র সোনালী ব্যাংকের বরিশালের করপোরেট শাখায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের একটি ভাতার কার্ড জমা দেন। ব্যাংকের কর্মকর্তার বিষয়টি সন্দেহ হয়। যাচাই-বাছাই করে দেখতে পান কার্ডটি সোনালী ব্যাংকের পটুয়াখালীর মৌকরন শাখায় জমা দেওয়া হয়েছে। বঙ্গেশ্বর ভদ্রের জমা দেওয়া কার্ডে বিভাগীয় কার্যালয়ের কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের সহকারী পরিচালক উৎপালেন্দু দেবনাথের স্বাক্ষর রয়েছে। একই দিন সহকারী পরিচালক এসে জানান কার্ডে দেওয়া স্বাক্ষর ও সিল তার নয়।
তিনি আরও জানান, জালিয়াতির মাধ্যমে কার্ড তৈরির অভিযোগে বঙ্গেশ্বর ভদ্রকে কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় তাকে আসামি করে ব্যাংকের করপোরেট শাখার অ্যাসিস্ট্যান্ড জেনারেল ম্যানেজার মো. জাহাঙ্গীর আলম সরদার মামলা করেন। মামলায় বরিশাল দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক রনজিৎ কুমার কর্মকার বঙ্গেশ্বর ভদ্রকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দেন।