বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
গোপালগঞ্জ প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৪ জুন ২০২৪ ১৮:২২ পিএম
আপডেট : ০৪ জুন ২০২৪ ১৮:২৪ পিএম
উপাচার্য ও সহ-উপাচার্যের কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে শিক্ষকদের অবস্থান। প্রবা ফটো
গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) শিক্ষকদের আন্দোলন চলমান রয়েছে। মঙ্গলবার (৪ জুন) তৃতীয় দিনে এসেও উপাচার্য ও সহ-উপাচার্যের কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়েছেন তারা। তালা ঝুলিয়ে দুই শীর্ষ কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনেই অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা।
গত রবিবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা আপগ্রেডেশন ও এ-সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনের দাবিতে এই কর্মসূচি পালন করে শিক্ষকরা। তবে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যহত না করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস ও পরীক্ষা কার্যক্রম চালু রেখেছেন তারা।
শিক্ষকরা জানান, আপগ্রেডেশন বঞ্চিত ৩০ জন শিক্ষকের বিষয়টি গত ২৯ মে ৩৯তম রিজেন্ট বোর্ডে পাস হওয়ার কথা। কিন্তু রিজেন্ট বোর্ডের সভায় বিষয়টি উত্থাপন করেনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এতেই বিপাকে পড়েছেন তারা। দাবি আদায়ে পাঁচ দিনের সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন। তিন দিনে কোনো সুরাহা না হওয়ায় মঙ্গলবারও বেলা ১১টা দিকে উপাচার্য ও সহ-উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন তারা।
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি ফায়েকুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘এক বছর ধরে দাবি আদায়ে কথা বলছি। কোনো অগ্রগতি নেই। এ কারণে পদোন্নতি ও ডিউডেটের দাবিতে আন্দোলন করছি। গতকাল প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনায় আশ্বস্ত করা হয়– আজ সকাল ১১টার মধ্যে দাবি আদায়ের বিষয়ে ঘোষণা দেওয়া হবে। কিন্তু কোনো প্রতিফলন আমরা দেখতে পাইনি। আমরা একাডেমিক কার্যক্রম চালু রেখে আন্দোলন করছি। দাবি আদায় না হলে বৃহস্পতিবার থেকে আরও কঠোর কর্মসূচি পালন করা হবে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দলিলুর রহমান বলেন, ‘শিক্ষকদের আপগ্রেডেশনসহ কয়েকটি দাবি ছিল। এ বিষয়ে রিজেন্ট বোর্ড একটি কমিটি করে দিয়েছে। এই কমিটির সুপারিশ পর্যবেক্ষণ, পর্যালোচনা করে রিজেন্ট বোর্ড যে সিদ্ধান্ত দেবে, সে অনুযায়ী আমরা বাস্তবায়ন করব।’