আলোচনা সভায় বক্তারা
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২২ আগস্ট ২০২৩ ১৯:৪৯ পিএম
আপডেট : ২২ আগস্ট ২০২৩ ১৯:৫৬ পিএম
বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সাইন্সের অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রবা ফটো
ঢাকার
বায়ুদূষণ রোধে ‘বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা-২০০২’ প্রয়োগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
এ বিধিমালার পাশাপাশি বায়ুদূষণ রোধ নির্দেশিকা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উদ্যোগ গ্রহণ করা
জরুরি হয়ে পড়েছে। বায়ুদূষণ রোধ হলেই পরিবেশ উন্নতির পাশাপাশি রোগ ও মৃত্যু হ্রাস
পাবে। তা ছাড়া বায়ুদূষণ বিধিমালা বাস্তবায়ন নিশ্চিতে দূষণকারীদের চিহ্নিত ও আইন অনুযায়ী
শাস্তির আওতায় আনা প্রয়োজন বলেও অভিমত ব্যক্ত করেছেন বক্তারা।
মঙ্গলবার
(২২ আগস্ট) দুপুরে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সাইন্সের (বিইউএইচএস) অডিটোরিয়ামে
বিইউএইচএস, সেন্টার ফর ল’ অ্যান্ড পলিসি অ্যাফেয়ার্স
(সিএলপিএ), ওপেন সেসাম এবং জাপান ফান্ড ফর গ্লোবার এনভায়রনমেন্ট আয়োজিত ‘জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষায়
বায়ুমান উন্নয়নে করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় আলোচকরা
এসব কথা বলেন।
বিইউএইচএসের
অধ্যাপক ডা. আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিইউএইচএসের উপাচার্য
অধ্যাপক ডা. ফরিদুল আলম, মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিএলপিএলের সেক্রেটারি সৈয়দ মাহবুবুল
আলম প্রমুখ।
ডা.
ফরিদুল আলম বলেন, ‘পরিবেশ সংরক্ষণ ও বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে
গবেষণামূলক কার্যক্রম বাড়াতে হবে এবং প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধের দিকে বেশি নজর দিতে
হবে। বাংলাদেশে যে আইন ও নীতিমালা বিদ্যমান রয়েছে সেগুলো কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে
হবে।’
ডা.
আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য রক্ষার্থে
সংবিধান প্রদত্ত অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে। নিজেদের সচেতনতা সবার আগে প্রয়োজন।
এক্ষেত্রে জনস্বাস্থ্য কার্যক্রম বৃদ্ধি ও জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে।
অধ্যাপক
গোলাম মহিউদ্দিন ফারুক বলেন, ‘ডেল্টা প্লান ও এসডিজি অর্জন করতে হলে ঐক্যবদ্ধভাবে পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ
ও সংশ্লিষ্ট আইন কার্যকর করতে হবে।’
মূলপ্রবন্ধে বলা হয়, ঢাকা
একটি অসাধারণ সুন্দর নগর ছিল কিন্তু আমাদের দায়িত্বহীনতার কারণে এ নগর আজ দূষণের শিকার।
ঢাকার বায়ুদূষণের অন্যতম প্রধান কারণ নির্মাণকাজ, যানবাহনের ধোঁয়া, ইটভাটা ইত্যাদি।
বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা, বায়ুদূষণ রোধ নির্দেশিকায় দূষণকারীদের চিহ্নিত, নির্মাণকাজ
হতে দূষণ নিয়ন্ত্রণ, যানবাহনের ধোঁয়া হ্রাস, শিল্প স্থাপনা এবং ইটভাটার ধোঁয়া নিয়ন্ত্রণ
বিষয়ে সুপষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আর এ সব নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা হলে ঢাকার বায়ুদূষণ
কমে আসবে। তবে এ লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, পরিবেশ অধিদপ্তরকে নেতৃত্ব দিতে
হবে। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান ও পরিবেশ অধিদপ্তরের উচিত আইন অনুসারে প্রকল্পগুলোকে
অডিট করা।