প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৯ জুলাই ২০২৩ ২২:০১ পিএম
আপডেট : ১৯ জুলাই ২০২৩ ২২:১৫ পিএম
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল। ছবি: সংগৃহীত
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে প্রথম কিডনি প্রতিস্থাপনে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তে চার সদস্যের কমিটি গঠন করেছে কর্তৃপক্ষ।
বুধবার (১৯ জুলাই) এ কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটির প্রধান করা হয়েছে বিএসএমএমইউর হেপাটোবিলিয়ারি, প্যানক্রিয়াটিক অ্যান্ড লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টেশন সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক মো. মহছেন চৌধুরীকে।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন-পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিকস বিভাগের অধ্যাপক আতিকুল হক, গাইনি বিভাগের অধ্যাপক রেজাউল করিম এবং বিএসএমএমইউর ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. হেলাল উদ্দিন।
কমিটিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে বিএসএমএমইউর উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘এ ঘটনায় কিডনি দাতা-গ্রহীতার চিকিৎসায় কোনো ত্রুটি হবে না। তারা সর্বোচ্চ চিকিৎসাই পাবেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের ব্যাপারে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষ সচেষ্ট থাকবে।’
বিএসএমএমইউর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে সোমবার (১৭ জুলাই) প্রথম কিডনি প্রতিস্থাপন হয়। এ বিষয়ে বিএসএমএমইউ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, পিরোজপুরের বাসিন্দা ৪২ বছর বয়সি সুজন রায় কিডনি গ্রহণ করেছেন। আর কিডনি দিয়েছেন তার ছোট ভাই ৩১ বছর বয়সি সুসেন রায়।
এ খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশের পর সুসেন রায় নামের কিডনি দাতা গ্রহীতার ভাই নন বলে অভিযোগ আসে। সুসেন নাম দিয়ে কিডনি দাতার নাম সুমিত হাওলদার। একটি গণমাধ্যমে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, কিডনিদাতাকে গ্রিস পাঠানো হবে—এমন প্রতিশ্রুতি দেওয়ার বিনিময়ে কিডনি নেওয়া হয়েছে।দেশের বর্তমান আইনে আপন ভাইকে কিডনি দেওয়া যায়। আইন অনুযায়ী নিকটাত্মীয় ছাড়া কারও কিডনি নেওয়া যায় না।