প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ মার্চ ২০২৬ ১৭:৫০ পিএম
আপডেট : ০৭ মার্চ ২০২৬ ২১:৪১ পিএম
উদ্ধারকৃত বুনো হাঁস পূর্বাচলে প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
বনানী থেকে উদ্ধারকৃত বুনো হাঁস পূর্বাচলে প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করা হয়েছে।
শুক্রবার বিকালে ঢাকার বনানী কবরস্থান এলাকা থেকে উদ্ধারকৃত ৬০টি বুনোহাঁস (পাতি সরালি) শনিবার দুপুরে অবমুক্ত করা হয়েছে।
পূর্বাচল ১১ নম্বর সেক্টরের লেকে হাঁসগুলো অবমুক্ত করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বন বিভাগের ক্রাইম কন্ট্রোল ইউনিটের ইন্সপেক্টর অসীম মল্লিক ও বাংলাদেশ এনিম্যাল ওয়েলফেয়ার এ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ আদনান আজাদ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বন্যপ্রাণী সংরক্ষক শাহানা সিমু, মির্জা এস এম আরিফুল আমিন ও বন বিভাগের কর্মীরা।
এছাড়া রাজধানীর উত্তরা থেকে উদ্ধারকৃত ১ টিয়া পাখি, ১ দেশি ঘুঘু পাখি, ১ ঝুটি শালিক পাখি ও ১৫টি তিলা মুনিয়া সেখানে অবমুক্ত করা হয়।
আদনান আজাদ বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সংগঠনটি কাজ করছে। আমরা মূলত আহত পশু-পাখিকে চিকিৎসা দিয়ে থাকি। তা ছাড়া অবৈধভাবে কোন প্রাণিকে আটক করলে তা উদ্ধার করে থাকি। আমরা গত শুক্রবার বিশেষ সংবাদের ভিত্তিতে এসব বুনো হাঁসগুলোর সন্ধান পাই। পরে সেগুলো উদ্ধার করে শনিবার সেগুলো অবমুক্ত করেছি।”
তিনি বলেন, “এসব পাখিগুলোকে সৌখিন মানুষরা জবেহ করে খায়। আমরা এগুলোকে প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করেছি। এতে আমরা খুবই আনন্দিত”।
এ ব্যাপারে অসীম মল্লিক বলেন, “বাংলাদেশ এনিম্যাল ওয়েলফেয়ার এ্যাসোসিয়েশনের সহযোগিতায় এসব বুনো হাঁস আটক করা হয়েছিল ও তাদেরকে সঙ্গে নিয়েই অবমুক্ত করা হয়েছে।” তিনি বলেন, “এসব পাখিগুলো গাজীপুর থেকে ঢাকায় আনা হয়েছিল বিক্রির জন্য। আইনত এসব পাখি বিক্রি নিষিদ্ধ। পাখিগুলো কেনার জন্য বনানীতে আনায় হয়। বন আইন রংক্ষণ অধ্যাদেশ-২০২৬ আইনে বলা আছে- এসব প্রাণী বিক্রি করা যাবে না। সাধারণত তারা ফোনে যোগাযোগ করে বিক্রি করে থাকে। এই ফাঁদেই তাদেরকে ধরা হয়েছে।”