প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৮:০৬ পিএম
ঢাকার খামারবাড়িতে কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস) বুধবার আয়োজিত এক সেমিনারে কৃষির প্রতিটি ধাপে তথ্য-প্রযুক্তি দ্রুত পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থাগুলোর সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
ফসল উৎপাদন থেকে শুরু করে বাজারজাতকরণ পর্যন্ত কৃষির প্রতিটি ধাপে তথ্য-প্রযুক্তি দ্রুত পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থাগুলোর সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বক্তারা।
তারা বলেন, গবেষণায় উদ্ভাবিত নতুন প্রযুক্তি ও তথ্য সময়মতো মাঠপর্যায়ে পৌঁছাতে না পারলে তার সুফল কৃষক পান না।
ঢাকার খামারবাড়িতে কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস) বুধবার আয়োজিত ‘এগ্রো টেকনোলজি ট্রান্সফার: গবেষণা থেকে মাঠপর্যায়ে প্রযুক্তি পৌঁছে দেওয়ার কৌশল’ শীর্ষক সেমিনারে এসব কথা বলা হয়।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট-এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোহাম্মাদ এরশাদুল হক।
তিনি বলেন, কৃষকের কাছে দ্রুত সর্বশেষ প্রযুক্তি ও তথ্য পৌঁছে দিতে কার্যকর যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি নারী ও যুবকদের কৃষিতে সম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর জোর দেন তিনি।
আলোচক হিসেবে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়-এর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহবুব ইসলাম বলেন, এআইএসের দায়িত্ব শুধু প্রচারেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়; মাঠপর্যায়ের সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধান দেওয়াও জরুরি। কৃষি, প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য খাতের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের আহ্বানও জানান তিনি।
ডিএইর অতিরিক্ত পরিচালক রওশন আলম জলবায়ু পরিবর্তন, লবণাক্ততা ও ভূগর্ভস্থ পানির সংকটকে কৃষির বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, অঞ্চলভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণ না করলে খাদ্যনিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
বিশেষ অতিথি মো. আব্দুস সাত্তার বলেন, উৎপাদন বৃদ্ধিতে সাফল্য এলেও এখন নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে গুরুত্ব দিতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে এআইএসের পরিচালক মো. মসীহুর রহমান জনবল সংকটের কথা তুলে ধরে কৃষির ১৭টি দপ্তর-সংস্থার মধ্যে কার্যকর আন্তঃসংযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রম জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন।