প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৪ আগস্ট ২০২৫ ০৮:৩২ এএম
আপডেট : ২৪ আগস্ট ২০২৫ ০৮:৪৫ এএম
প্রবা ফটো
ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদী থেকে একদিনে নারী ও শিশুসহ চারজনের লাশ উদ্ধার করেছে নৌপুলিশ। এর মধ্যে দুইজনের হাত বাঁধা অবস্থায় এবং দুইজনকে শ্বাসরোধে হত্যার পর নদীতে ফেলা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
শনিবার (২৩ আগস্ট) দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বুড়িগঙ্গা নদী থেকে এসব লাশ উদ্ধার করা হয়।
জানা গেছে, গতকাল শনিবার দুপুরে প্রথমে সদরঘাট নৌপুলিশ নদী থেকে অজ্ঞাত নারী ও শিশুর লাশ উদ্ধার করে। ধারণা করা হচ্ছে, তারা মা ও ছেলে। নারীর বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর এবং শিশুর বয়স ৩ থেকে ৪ বছর। উদ্ধারকালে নারীর গলায় বোরকার হাতা দিয়ে ফাঁস লাগানো ছিল। শিশুটির গলাতেও ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় পাওয়া যায়। পুলিশ ধারণা করছে, শ্বাসরোধে হত্যার পর তাদের মরদেহ নদীতে ফেলা হয়েছে।
এর কয়েক ঘণ্টা পর সন্ধ্যা ৭টার দিকে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার মাদারীপুর টিনের মসজিদ ঘাট এলাকা থেকে আরও দুটি লাশ উদ্ধার করে নৌপুলিশ। এ সময় অজ্ঞাত এক নারী (৩০) ও পুরুষের (৩৫) লাশ উদ্ধার করা হয়। তাদের হাত একে অপরের সঙ্গে বাঁধা ছিল এবং মরদেহ যাতে ভেসে না ওঠে সেজন্য ৫০ কেজি ওজনের চালের বস্তার সঙ্গে বেঁধে নদীতে ফেলা হয়েছিল।
বরিশুর নৌপুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মুক্তার হোসেন জানান, স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়। লাশগুলো পুরোপুরি পচে যাওয়ায় পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। এ অবস্থায় ফিঙ্গারপ্রিন্টও সংগ্রহ করা যায়নি। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
উদ্ধার হওয়া চারটি লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন নৌপুলিশের এই কর্মকর্তা।