প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১২ ডিসেম্বর ২০২২ ১৪:৩৯ পিএম
আপডেট : ১২ ডিসেম্বর ২০২২ ১৫:০৫ পিএম
লাইভ সম্প্রচার চলার সময় সাংবাদিকের মাইক্রোফোন কেড়ে নেন কনস্টেবল শাহিনুর। ফাইল ছবি
জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় লাইভ সম্প্রচার চলাকালে সাংবাদিকের মাইক্রোফোন কেড়ে নেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত কনস্টেবলকে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
সোমবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপকমিশনার মো. ফারুক হোসেন প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘লাইভ সম্প্রচারের সময় ডিএমপির প্ররক্ষা বিভাগের কনস্টেবল শাহিনুর রহমান সাংবাদিকের বুম কেড়ে নিয়ে দায়িত্ব পালনে বিঘ্ন ঘটান। বিষয়টি কমিশনার স্যারকে অবহিত করলে অপেশাদার আচরণ করায় তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।’ এই কনস্টেবলের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান তিনি।
যেখানে লাইভ করায় সাংবাদিক হেনস্তার শিকার হয়েছেন যেখানে সাংবাদিকদের লাইভ দেওয়ায় নিষেধাজ্ঞা আছে কি না—জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সেখানে কোনো নিষেধাজ্ঞার নির্দেশনা নেই। পুলিশ সদস্যরা নিজেরাই তা করেছেন।’
রবিবার দুপুরের দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় সীমানাপ্রাচীরের বাইরে ফুটপাতে দাঁড়িয়ে লাইভ সম্প্রচার করছিলেন নাগরিক টিভির সিনিয়র রিপোর্টার সাইদ আরমান। ওই সময় এক পুলিশ সদস্য তার মাইক্রোফোন কেড়ে নেন। সম্প্রচার বন্ধ করতে বাধ্য করেন। এ সময় সাংবাদিককে পুলিশবক্সে আটকে রাখার চেষ্টা করেন।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সাংবাদিক সাইদ আরমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিএনপির সংসদ সদস্যদের পদত্যাগ করার ঘটনাটি কাভার করার জন্য অন্য সাংবাদিকদের সঙ্গে আমিও সংসদ ভবনের বাইরে অপেক্ষায় ছিলাম। সকাল থেকে বেশ কয়েকবার লাইভ করেছি। এ সময় কোনো পুলিশ সদস্য বাধা দেননি। কিন্তু দুপুর ২টার সংবাদের লাইভ করার জন্য অফিস থেকে বলা হলে সেখানে অবস্থান করতে হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘২টার সংবাদের লাইভ শুরু করতেই ওই কনস্টেবল আমার দিকে তেড়ে আসেন। একপর্যায়ে লাইভ বন্ধ করে আমার হাতে ধরা মাইক্রোফোন কেড়ে নেন। এ ছাড়া ক্যামেরায়ও হাত দেওয়ার চেষ্টা করেন। এরপর ওই কনস্টেবল আমায় পুলিশবক্সে নিয়ে সাংবাদিকতা নিয়ে আপত্তিকর কিছু কথা বলেন। বিষয়টি আমি অফিসকে জানালে তারা সংসদে জানান। তারপর আমাকে সেখান থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।’