প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ মার্চ ২০২৫ ২১:০৯ পিএম
আপডেট : ০৭ মার্চ ২০২৫ ২১:২০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর মতিঝিলে মেট্রোরেল স্টেশনে পকেট থেকে ২৫ হাজার কানাডিয়ান ডলার চুরির অভিযোগ করেছিলেন মেজবা উদ্দিন নামের একজন ব্যাংক কর্মকর্তা। বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) বিকালে তিনি এমন অভিযোগ করেন। কিন্তু পুলিশ বলছে, অভিযোগ পাওয়ার পর মতিঝিল মেট্রো স্টেশনসহ যাত্রীর ভ্রমণ শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সকল স্থানেরওই ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। কোথাও যাত্রীর পকেট থেকে ডলার চুরির বিষয়টি দেখা যায়নি। যাত্রী নিজেও ফুটেজ দেখেছেন।
ডলার চুরির অভিযোগ
এনে ভুক্তভোগী মেট্রোরেলের যাত্রী মেজবা উদ্দিনের বন্ধু মোশারফ হোসেন গতকাল বৃহস্পতিবার
বিকালে বলেছিলেন, মেজবা ডাচ-বাংলা ব্যাংকে চাকরি করে। তার বোন কানাডিয়ান প্রবাসী।
মেজবার বোন বাংলাদেশ এসেছিল বেড়াতে সে আবার কানাডায় চলেও যাবে। তাই ঘটনার দিন কানাডিয়ান
ডলারগুলো বোনের জন্য কেনেন মেজবা। পরে মিরপুর যাওয়ার জন্য বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে মতিঝিলের
মেট্রোরেল স্টেশনে যান। এরই মধ্যে স্টেশনে তার পকেট থেকে কে বা কারা ডলারগুলো নিয়ে
যায়।
এ বিষয়ে শুক্রবার
(৭ মার্চ) রাতে এমআরটি পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) সিদ্দিকী তানজিলুর রহমান প্রতিদিনের
বাংলাদেশকে বলেন, ডলার চুরির ঘটনায় ভুক্তভোগী যাত্রী মতিঝিল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি)
করেছেন। ঘটনার তদন্ত সেই থানা পুলিশ করছে। তিনি আরও বলেন, এমআরটি পুলিশের তদন্ত ইউনিট
না থাকায় থানা পুলিশই বর্তমানে তদন্ত করে থাকে।
এদিকে মতিঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেজবাহ উদ্দিন বৃহস্পতিবার রাতে প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ভুক্তভোগী থানায় অভিযোগ করার পরপরই ঘটনার তদন্ত শুরু হয়। ঘটনাস্থলেরও সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করা হয়। ভুক্তভোগী যাত্রীকেও দেখানো হয় ফুটেজ। তিনি (যাত্রী) যেখানে যেখানে বলেছেন, সেখানকার ফুটেজ সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করে দেখা হয়েছে। কিন্তু কোথাও ডলার চুরির দৃশ্য দেখা যায়নি। এরপরও আমরা তদন্ত কার্যক্রম চালাচ্ছি।