সড়কে বাঁশ ফেলে শিক্ষার্থীদের অবস্থান
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১৩:২৯ পিএম
সোমবার দুপুরে তিতুমীর কলেজের সামনে সড়ক অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা। ছবি : সংগৃহীত
সরকারি তিতুমীর কলেজকে স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় রূপান্তরের এক দফা দাবিতে টানা ষষ্ঠ দিনের মতো অনশন করছেন শিক্ষার্থীরা। একইসঙ্গে সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) তাদের ১১ ঘণ্টার সর্বাত্মক অবরোধ ও কলেজ শাটডাউন কর্মসূচি চলছে। দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে সড়কের ওপর বাঁশ ফেলে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী যান চলাচল বন্ধ করে দেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, তিতুমীর কলেজের মূল ফটকের সামনেই ৬ষ্ঠ দিনের মতো অনশন করছেন ছয় শিক্ষার্থী। তার সামনে শিক্ষার্থীরা গোল হয়ে সড়কের যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন। এসময় তিতুমীর বিশ্ববিদ্যালয় করার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায় তাদের। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সদস্যদের এখানে উপস্থিত দেখা যায়নি।
শিক্ষার্থীরা জানান, যতক্ষণ পর্যন্ত দাবি আদায় না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। অবরোধ চলাকালীন জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া অ্যাম্বুলেন্স ও রোগী পরিবহনের গাড়ি ছাড়া অন্যকোনো গাড়ি চলতে দেওয়া হবে না। এখন আমরা লিংক রোড অবরোধ করেছি। কিছু সময় পর অন্যান্য জায়গাগুলোও অবরোধ করে দেওয়া হবে।
এর আগে রবিবার রাত ১১টায় আজ বেলা ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত টানা ব্যারিকেড (অবরোধ) কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেন সরকারি তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা। তারা জানান, মহাখালীর ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক, রেল গেট, আমতলী মোড়, গুলশান লিংক রোড এই কর্মসূচির আওতায় থাকবে।
এছাড়া কলেজে সর্বাত্মক শাটডাউন কর্মসূচি করা হবে। কাউকে কলেজের ভেতরে প্রবেশ করতেও দেয়া হবে না, বের হতেও দেয়া হবে না। ক্লাস, অফিস সব বন্ধ থাকবে।
গত ২৮ জানুয়ারি বিকেল ৫টায় ৭ দফা দাবি নিয়ে অনশনে বসেন শিক্ষার্থীরা। পরে তাতে যোগ দেন আরো ২ জন। ২৯ জানুয়ারি দুপুরে গণঅনশন কর্মসূচি শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। তাছাড়া ওইদিন দুপুরে গুলশান-মহাখালী সড়কের ২ পাশেই বাঁশ ফেলে অবরোধ করেন।
এর আগে গত ৩০ জানুয়ারি রাতে শিক্ষার্থীরা ‘বারাসাত ব্যারিকেড টু নর্থ সিটি’ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ১ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪টার পর থেকে তাদের এ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। ইজতেমার মুসল্লিদের স্বার্থে রোববার কর্মসূচি কিছুটা শিথিল করলেও রাতে মহাসড়ক অবরোধ করেন তারা।