বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৪ নভেম্বর ২০২৪ ১৭:১৮ পিএম
পুরান ঢাকায় অবস্থিত শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজে স্নাতক প্রথম বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষা চলাকালীন ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছেন ঢাকার ৩৫ কলেজের শিক্ষার্থীরা। এসময় লুটপাট করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।
রবিবার (২৪ নভেম্বর) দুপুর ১টা ৩০ মিনিট থেকে ৩ টা পর্যন্ত এ হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। এসময় বই, আসবাবপত্র, ব্যক্তিগত গাড়ি ও অ্যাম্বুলেন্স ভাঙচুর করা হয়।
জানা যায়, চিকিৎসা গাফিলতিতে সহপাঠীর মৃত্যু, মরদেহ আটকে রাখা ও শিক্ষার্থীদের উপর হামলার প্রতিবাদে পুরান ঢাকার ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ ঘেরাও করেন বিভিন্ন কলেজের ইন্টারমিডিয়েটে পড়া শিক্ষার্থীরা। এসময় কলেজের প্রধান ফটকও ভাঙচুর করেন তারা। এরপর সোহরাওয়ার্দী কলেজের দিকে গেলে শুরুতে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে সোহরাওয়ার্দী কলেজের ভিতরে ঢুকে ভাঙচুর চালান শিক্ষার্থীরা।
এর আগে চিকিৎসকের গাফিলতির কারণে সহপাঠীর মৃত্যু হয়েছে অভিযোগ তুলে বিচার চেয়ে কয়েকটি কলেজের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করলে শনিবার তাদের ওপর কবি নজরুল কলেজ ও সোহরাওয়ার্দী কলেজের কিছু শিক্ষার্থী হামলা করেন বলে অভিযোগ করা হয়।
সোহরাওয়ার্দী কলেজের রসায়ন বিভাগের প্রভাষক শাহানাজ সিদ্দিকা বলেন, আজ দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে পরিক্ষা শুরু হয়েছিলো। কিন্তু ১ টার দিকে হঠাৎ হামলা শুরু হয়। আমরা দুপুর ১ টা থেকে ৩ টা পর্যন্ত অবরুদ্ধ অবস্থায় ছিলাম। নিচে আমরা কোনোমতে একটা জায়গায় লুকিয়ে ছিলাম। পরে দুইতলায় উঠেছি।
সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ ড. কাকলী মুখোপাধ্যায় বলেন, আমি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে বারবার সাহায্য চেয়েছি। কিন্তু তারা শুধু বলেছেন তারা ন্যাশনাল মেডিকেলে আছেন। কয়েকজন পুলিশ এসেছিলেন তারা পর্যাপ্ত ছিলেন না। আমরা বারবার সেনাবাহিনীর সাহায্য চেয়েছি কিন্তু সেটা পাইনি। আমরা শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছি, আমি দুঃখিত।