× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

পুলিশ কর্মকর্তার বাবা-মা হত্যা, ৪টি বিষয় সামনে রেখে চলছে তদন্ত

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২২ জুন ২০২৪ ২১:২৮ পিএম

আপডেট : ২২ জুন ২০২৪ ২২:১৬ পিএম

পুলিশ কর্মকর্তার বাড়িতে ঢুকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ছবি: সংগৃহীত

পুলিশ কর্মকর্তার বাড়িতে ঢুকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর মোমেনবাগে এক পুলিশ কর্মকর্তার বাবা-মাকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। তবে কী কারণে এবং কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে সে বিষয়টি এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। হত্যকাণ্ডের তিন দিন অতিবাহিত হলেও রহস্য উম্মোচন করা যায়নি। এ জোড়া খুনের রহস্য উম্মোচনে এবং খুনিদের শনাক্তে জমি সংক্রান্ত বিরোধ, পারিবাহিক কলহ, প্রতিবেশীদের সঙ্গে দ্বন্দ্ব ও মসজিদ কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্বে বিষয়গুলো সামনে রেখে তদন্ত কার্যক্রম চলছে বলে জানিয়েছে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা আলামত, প্রযুক্তিগত মাধ্যমে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ এবং পরিবার ও প্রতিবেশীদের জিজ্ঞাসাবাদে ঘুরপাক খাচ্ছে তদন্ত।

পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছে, নিহত শফিকুরের চাচাতো ভাইয়ের পরিবারের সঙ্গে জমিসংক্রান্ত বিরোধ ছাড়া অন্য কোনো শক্রুতার বিষয় প্রাথমিকভাবে সামনে আসেনি। এজন্য তদন্তের শুরুতে এই বিষয়টি বাড়তি গুরুত্ব দিয়ে খুনিদের শনাক্তের চেষ্টা করা হচ্ছিল। তবে এখন পর্যন্ত ওই পরিবারের তথ্য পর্যালোচনায় খুনিদের শনাক্ত করার মতো কোনো তথ্য মেলেনি। এছাড়া ঘটনাস্থল মোমেনবাগের ওই বাড়ির অন্য বাসিন্দাদের থেকেও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে তদন্তের এ পর্যায়ে এসে যোগসূত্র মেলাতে আলামত ও অন্য তথ্য বার বার যাচাই করে দেখা হচ্ছে। এছাড়াও নিহত শফিকুরের সঙ্গে মসজিদ কমিটির দ্বন্ধ ছিল সে বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে মাতুয়াইলের পশ্চিম মোমেনবাগের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ২ নম্বরে ক্ষণিকালয় নামে ওই বাড়িতে যায় যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ। ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা বাসার নিচতলার পার্কিংয়ে শফিকুরের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পায়। তার শরীরে বিভিন্নস্থানে ও গলায় ধারাল অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পরে দোতলায় গিয়ে শোয়ার ঘরে মশারির ভেতর স্ত্রী ফরিদার লাশ পাওয়া যায়। তার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারাল অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। ঘটনার সময় নিহত দম্পতির ছেলে আবদুল্লাহ আল মামুন ফেনীতে দাদা বাড়িতে ছিলেন। পুলিশ নিহত দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। ময়নাতদন্ত শেষে ওই রাতেই নিহতদের মাতুয়াইল কবরস্থানে দাফন করা হয়। চারতলা ওই বাড়ির ভাড়াটিয়ারা দাবি করেছেন, তারা কেউ বিষয়টি টের পায়নি। কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড, কে বা কারা এতে জড়িত তা এখনও জানা যায়নি।

এ ঘটনায় নিহত দম্পতির ছেলে পুলিশের বিশেষ শাখার (স্পেশাল ব্রাঞ্চ) উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে ইমন বাদি হয়ে যাত্রাবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার এজাহারে তিনি বলেন, গত বুধবার দিবাগত রাত একটা থেকে পরদিন বৃহস্পতিবার সকাল ছয়টার মধ্যে তাদের বাড়িতে দুষ্কৃতকারীরা ঢুকে তার বাবা-মাকে কুপিয়ে হত্যা করে। পূর্বশত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।

এদিকে জমি সংক্রান্ত বিরোধে মূল সন্দেহভাজনদের একজন মো. তানভীর। তিনি বলেন, চাচার সঙ্গে (নিহত শফিকুর) আমাদের কোনো দ্বন্দ্ব নেই। ভাগীদার হিসেবে মামলার নোটিসে তার নাম এসেছে। আমাদের মূল ঝামেলা সিদ্দিকুর রহমানের (নিহতের সৎ ভাই) ছেলে সিহাব উদ্দীনের সঙ্গে।

যাত্রাবাড়ী থানার ওসি আবুল হাসান বলেন, আমরা সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে কাজ করছি। কাজ করতে গিয়ে যা যা সামনে আসছে সবই আমরা গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নিচ্ছি। এখন পর্যন্ত চার থেকে পাঁচটি বিষয় সামনে রেখে তদন্ত কার্যক্রম চলছে। জমি সংক্রান্ত বিরোধ, পারিবাহিক কলহ, প্রতিবেশীদের সঙ্গে দ্বন্দ্ব ও মসজিদ কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্বের মতো বিষয়গুলো সামনে এসেছে। সেগুলোও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা