প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৭:৩১ পিএম
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ভবনের (বিডা) কনফারেন্স রুমে এক সংবাদ সম্মেলন। প্রবা ফটো
কমনওয়েলথ ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ফোরামের সম্মেলন বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে সহায়তা করবে। একইসাথে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, অংশীদারিত্ব বৃদ্ধি, উদ্ভাবন প্রচার এবং বাংলাদেশের জন্য একটি টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথ অন্বেষণ করতেও সহায়তা করবে। বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁওস্থ বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ভবনের (বিডা) কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলনে এসব বলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।
এ সময় জানানো হয়, আগামী ১৩-১৪ সেপ্টেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে ‘কমনওয়েলথ ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ফোরামের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন। এতে কমনওয়েলথ ভুক্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নিবেন।
আসন্ন ফোরামে উপস্থিত থাকার জন্য সকল কমনওয়েলথ দেশগুরোকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। নাইজেরিয়া, কেনিয়া, রুয়ান্ডা এবং ঘানার মতো দেশ ইতিমধ্যেই তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছে। এখন পর্যন্ত ২৫০ জন বিদেশি অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশে আসার বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন। এরমধ্যে ১৩ জন বিদেশি মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ নিবেন।
এই সম্মেলন আয়োজন করবে, বিডা, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও জেডআই ফাউন্ডেশনের অংশীদারিত্বে কমনওয়েলথ এন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কাউন্সিল (সিডব্লিউইআইসি) কমনওয়েলথ ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ফোরামটির আয়োজন করতে যাচ্ছে। ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ এবং উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ‘কমনওয়েলথ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গ্রিন ইনভেস্টমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিডা নির্বাহী চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মিয়া এবং বাংলাদেশের সিডব্লিউইআইসি কৌশলগত উপদেষ্টা জিল্লুর হোসেন।
কমনওয়েলথ হল ৫৬টি দেশের সমন্বয়ে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা- যা একটি সাধারণ মূল্যবোধের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ। বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথের ৩৪তম সদস্য হিসেবে যোগদান করে। উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশে এই প্রথমবারের মতো কমনওয়েলথ ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ফোরাম অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এর আগে কমনওয়েলথের অন্যান্য সদস্য রাষ্ট্র- যেমন যুক্তরাজ্য, সিঙ্গাপুর, কেনিয়া, রুয়ান্ডা ও মাল্টায় এ ফোরাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। কমনওয়েলথের আওতায় ৫৬টি দেশে ২.৫ বিলিয়ন মানুষ বসবাস করেন যা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ। কমনওয়েলথ দেশসমূহের সম্মিলিত জিডিপি $১৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি যা ২০২৭ সালের মধ্যে $১৯.৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হবে। কমনওয়েলথের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে, বাংলাদেশ বাংলাদেশি রপ্তানি পণ্যের নতুন বাজার তৈরি ও বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।