প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৭ জুন ২০২৩ ২০:১৬ পিএম
আপডেট : ২৭ জুন ২০২৩ ২০:৫০ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
চলমান প্রকল্পগুলোর জন্য ভারতের কাছ থেকে অতিরিক্ত ৮০ কোটি ৪২ লাখ ৬০ হাজার ডলার ঋণ চেয়েছে বাংলাদেশ। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) কর্মকর্তারা বলছেন, বাস্তবায়নের ধীরগতি, নকশা পরিবর্তন এবং নতুন কিছু খাত যুক্ত হওয়ায় এসব প্রকল্পের খরচ বেড়েছে।
এর মধ্যে বড়পুকুরিয়া-বগুড়া-কালিয়াকৈর ৪০০ কেভি লাইন প্রকল্পে অতিরিক্ত প্রয়োজন হচ্ছে ৩৮৫ মিলিয়ন ডলার। ফলে এ প্রকল্পে ঋণ বেড়ে হবে ৫৯ কোটি ৫৬ লাখ ৭০ হাজার ডলার। এ ছাড়া ঢাকা-টঙ্গী সেকশনে তৃতীয় ও চতুর্থ ডুয়েলগেজ লাইন এবং টঙ্গী-জয়দেবপুর সেকশনে দ্বিতীয় ডুয়েলগেজ লাইন নির্মাণ প্রকল্পে ১৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার, খুলনা-মোংলা রেললাইন প্রকল্পে ৮ কোটি ডলার, আশুগঞ্জ নদীবন্দর-সরাইল-আখাউড়া চার লেন প্রকল্পে ৭ কোটি ১০ লাখ ৬০ হাজার ডলার, ১২ জেলায় আইটি ও হাইটেক পার্ক স্থাপনে ৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার এবং আশুগঞ্জ কন্টেইনার রিভার পোর্ট প্রকল্পে অতিরিক্ত ৩ কোটি ৫১ লাখ ৮০ হাজার ডলার ঋণ সরবরাহ করা হবে।
এ প্রকল্পগুলোয় শুরুতে ১ দশমিক ১৭ বিলিয়ন ডলার ভারতীয় ঋণের প্রস্তাব ছিল। অতিরিক্ত খরচের কারণে এখন ঋণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ১ দশমিক ৯৭ বিলিয়ন ডলারে।
তবে ঋণে শর্তের জটিলতা ও তাদের ঋণের চলমান প্রকল্পগুলো বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাস্তবায়ন জটিলতার কারণে ভারতীয় ঋণের তালিকা থেকে বাদ পড়ছে দেশের চারটি উন্নয়ন প্রকল্প। ইতোমধ্যে লাইন অব ক্রেডিট (এলওসি) থেকে এসব প্রকল্প বাদ দেওয়ার জন্য ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠিও পাঠিয়েছে বাংলাদেশ। এ চার প্রকল্পে এক বিলিয়ন ডলারের বেশি ঋণ দেওয়ার কথা ছিল ভারতের।
বাদ পড়া প্রকল্পগুলো হলো—সৈয়দপুরে ৭ কোটি ২ লাখ ৮০ হাজার ডলার ব্যয়ে নতুন ক্যারেজ ওয়ার্কশপ নির্মাণের রেলওয়ে প্রকল্প, ১৬ কোটি ৫০ লাখ ডলারের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর প্রকল্প, ৪০ কোটি ডলারের বে কন্টেইনার টার্মিনাল প্রকল্প এবং ৩৭ কোটি ৫০ লাখ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে সৈয়দপুর বিমানবন্দর প্রকল্প।
ইআরডির কর্মকর্তারা জানান, গত মে মাসে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সম্মতিতে বাদ দেওয়া দুটি প্রকল্প হলো—টেলিটকের নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করতে তিন কোটি ডলারের সোলারভিত্তিক স্টেশন নির্মাণ প্রকল্প এবং ২ কোটি ৪৮ লাখ ৩০ হাজার ডলার ব্যয়ে ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পের যন্ত্রপাতি সরবরাহ প্রকল্প।
২০২৩ সালের মে মাসে বাদ পড়া দুই প্রকল্পসহ গত তিন বছরে ভারতীয় এলওসি তালিকা থেকে এখন পর্যন্ত মোট ছয়টি প্রকল্প বাদ পড়েছে।