কূটনৈতিক প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১১ জুন ২০২৩ ১৮:৫৯ পিএম
ঢাকার একটি হোটেলে রবিবার সংবাদ সম্মেলনে করে জানায় কমনওয়েলথ এন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কাউন্সিল। প্রবা ফটো
কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা বাড়াতে এবার ঢাকায় হবে কমনওয়েলথ ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ফোরাম। আগামী ১৩ ও ১৪ সেপ্টেম্বর এটি অনুষ্ঠিত হবে। এতে সহযোগিতা করবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়, বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-বিআইডিএ ও যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংস্থা জেডআই ফাউন্ডেশন। রবিবার (১১ জুন) ঢাকার একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব জানায় ফোরামের আয়োজক কমনওয়েলথ এন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কাউন্সিল- সিডব্লিউইআইসি।
এতে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, বিআইডিএর নির্বাহী চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মিয়া, যুক্তরাজ্যের হাউস অব লর্ডসের সদস্য ও সিডব্লিউইআইসির ডেপুটি চেয়ারম্যান লর্ড সোয়ার কেসিএমজি এবং বাংলাদেশে সিডব্লিউইআইসির কৌশলগত উপদেষ্টা জিল্লুর হোসেন।
সালমান এফ রহমান বলেন, ‘স্বাধীনতার পরপর পারস্পরিক সহযোগিতার স্বপ্ন নিয়ে কমনওয়েলথে যোগ দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তখন যুদ্ধবিধ্বস্ত অর্থনীতি ও অবকাঠামো নিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই করছিল বাংলাদেশ। সময়ের সঙ্গে এদেশ অর্থনৈতিক বিভিন্ন সূচকে ব্যপক অগ্রগতি অর্জন করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ২০২৬ সালে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হবে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদারদের মধ্যে অনেকে দেশই কমনওয়েলথভুক্ত।’
লর্ড সোয়ার কেসিএমজি বলেন, ‘এবার কমনওয়েলথের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ ফোরাম হবে ঢাকায়। যা বাংলাদেশের জন্য বাণিজ্যিক অপার সম্ভাবনার অংশ। এদেশের কোম্পানিগুলো কমনওয়েলথভুক্ত ৫৬টি দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্ভাবনা কাজে লাগানোর বিশাল সুযোগ পাবে।’
বাংলাদেশে সিডব্লিউইআইসির কৌশলগত উপদেষ্টা জিল্লুর হোসেন জানান, ফোরামে অংশ নেবেন কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর রাষ্ট্রপ্রধান, রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ী নেতারা। এ ফোরমানের লক্ষ্য হলো অংশীদারিত্ব বৃদ্ধি ও মজবুত করা। যেকোনো উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা। এছাড়া বাংলাদেশের জন্য টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথ অন্বেষণ করা।