× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

ঋণ সংকট সমাধানে চুক্তি

প্রবা প্রতিবেদন

প্রকাশ : ২৯ মে ২০২৩ ১৪:২২ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

ঋণের সীমা বাড়ানো নিয়ে দোটানায় ছিল যুক্তরাষ্ট্র। আগামী ৫ জুনের মধ্যে ঋণের সীমা বাড়ানো না হলে সরকারের বিভিন্ন খাতের খরচ মেটানো সম্ভব হবে না বলে জানিয়েছিল দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয়। 

এর আগেও অর্থ সংকট নিয়ে সতর্ক করে কংগ্রেসের কাছে চিঠি পাঠিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী জ্যানেট ইয়েলেন। তবে কয়েক সপ্তাহের আলোচনা শেষে ঋণসীমা বাড়াতে সম্মত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং স্পিকার কেভিন ম্যাকার্থি।

এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের খেলাপি হওয়ার যে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল, তা কেটে গেছে। কিন্তু তারা দুজন চুক্তিতে পৌঁছলেও তা বাস্তবায়ন করতে কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন লাগবে। 

এদিকে চুক্তিটিকে আপস হিসেবে অভিহিত করেছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। অপরদিকে চুক্তিতে ব্যয় সংকোচনের ঐতিহাসিক বিষয় রয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন স্পিকার কেভিন ম্যাকার্থি।

সরকার যদি ব্যয় সংকোচন না করে, তাহলে কংগ্রেস ঋণসীমা বৃদ্ধির বিষয়ে অনুমোদন দেবে না বলে জানিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের সংসদের নিম্নকক্ষের নিয়ন্ত্রণে থাকা রিপাবলিকান পার্টি। তবে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের দল ডেমোক্রেটিক পার্টির সদস্যরা ব্যয় সংকোচনের বদলে নির্দিষ্ট কিছু খাতের করের পরিমাণ বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্ত এটি মানেনি রিপাবলিকান পার্টি। 

সে সময় রিপাবলিকানরা বলেছিলেন, শিক্ষা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে ব্যয় কমাতে হবে। তাহলে তারা ঋণসীমা ৩১ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার থেকে বাড়াবেন।

এদিকে বাইডেন ও ম্যাকার্থির মধ্যে কী চুক্তি হয়েছে সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তবে সংবাদমাধ্যম বিবিসির পার্টিনার সিবিএসের প্রতিবেদনে বলা হয়, বেসামরিক খাতগুলোর ব্যয় দুই বছর একই রাখা হবে এবং ২০২৫ সালে এটি ১ শতাংশ বৃদ্ধি করা হবে। এ ছাড়াও স্বাস্থ্য বীমার ক্ষেত্রে বড় কোনো পরিবর্তন হবে না। তবে নিম্নআয়ের লোকদের খাদ্য কেনায় সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে সরকারি কার্যক্রম কীভাবে পরিবর্তিত হবে, তা অস্পষ্ট রয়েছে। 

এর আগে গত শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে স্পিকার ম্যাকার্থি বলেন, ‘গত কয়েক সপ্তাহের আলোচনা শেষে আমরা একটি নীতিগত চুক্তিতে পৌঁছেছি। আমাদের এখনও অনেক কাজ বাকি আছে। তবে আমি মনে করি এটি এমন চুক্তি, যেটি আমেরিকানদের ন্যায্য পাওনা।’

তিনি আরও বলেন, ‘এতে ব্যয় সংকোচনের ঐতিহাসিক বিষয় রয়েছে। এটি সাধারণ মানুষকে দরিদ্রতা থেকে মুক্তি দেবে। সরকারের অতিরিক্ত ব্যয়ের লাগাম টানবে। নতুন কোনো ট্যাক্স নেই, নতুন কোনো সরকারি কার্যক্রম নেই। এ আইনে আরও অনেক কিছু আছে।’

আগামী বুধবার বিলটি কংগ্রেসে উত্থাপন করা হবে জানিয়ে ম্যাকার্থি আরও বলেন, ‘ঋণসীমা বৃদ্ধির নতুন আইনটি রবিবারের মধ্যেই তৈরি হবে। এর পর এ নিয়ে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সঙ্গে তিনি কথা বলবেন এবং বুধবার বিলটি কংগ্রেসে উত্থাপন করবেন।’

অপর এক বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেন, ‘এ চুক্তিতে আপস করা হয়েছে। যার অর্থ সবাই যা চায় তা পায় না। এটি সরকারের দায়িত্ব।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ চুক্তি আমেরিকানদের জন্য একটি ভালো খবরও। কারণ এর মাধ্যমে খেলাপি ঠেকানো গেছে। যে খেলাপি অর্থনৈতিক মন্দা, অবসরপ্রাপ্তদের বিধ্বস্ত এবং কয়েক লাখ কর্মীর চাকরি কেড়ে নিত।’

কোনোভাবে যদি যুক্তরাষ্ট্রের সরকার খেলাপি হয়, তাহলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সরকারের কল্যাণমূলক সুবিধা এবং অন্যান্য সহায়তা কর্মসূচির তহবিল শেষ হয়ে যাবে। দীর্ঘ সময় ধরে অর্থনৈতিক সংকট চলতে থাকলে তা যুক্তরাষ্ট্রকে মন্দার দিকে নিয়ে যাবে। ফলে বেকারত্ব বৃদ্ধি পাবে। এমনকি অর্থনৈতিক সংকটের প্রভাব বিশ্বজুড়ে পড়বে। মার্কিন ডলার যেহেতু বিশ্বের রিজার্ভ মুদ্রা তাই এতে খেলাপি হলে বিশ্বে আতঙ্ক সৃষ্টি হবে, যার প্রভাবে অনেক পণ্যের দাম বৃদ্ধি পাবে। ফলে কংগ্রেসে ভোটের আগে নিজ নিজ দলের সদস্যদের চুক্তির ভালো দিকগুলো বাইডেন এবং ম্যাকার্থিকে বোঝাতে হবে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। সূত্র : বিবিসি


শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা