প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৩ মে ২০২৩ ১৭:১০ পিএম
আপডেট : ১৩ মে ২০২৩ ১৮:২৩ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
চলতি মাসের ১৮ তারিখ শেষ হবে রাশিয়া-ইউক্রেন শস্য সরবরাহ বা ‘ব্ল্যাক সি’ চুক্তির মেয়াদ। শস্য চুক্তিটি নবায়ন না হলে বিকল্প পথ ব্যবহার করবে ইউক্রেন। দেশটি জানায়, শস্য রপ্তানির জন্য কৃষ্ণসাগর ব্যবহার না করতে পারলে তাদের বিকল্প ব্যবস্থা রয়েছে। সেটি হলো- ইউরোপের দ্বিতীয় দীর্ঘতম দানিউব নদীবন্দর ব্যবহার করে গম ও অন্যান্য খাদ্যশস্য রপ্তানি করবে ইউক্রেন।
দেশটির কৃষি মন্ত্রণালয় বলছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে রাশিয়া-ইউক্রেন শস্য চুক্তির মেয়াদ বাড়ছে না বলেই মনে হচ্ছে। কারণ রাশিয়া ইতোমধ্যে নানারকম হুমকি দিয়েছে। এতটা ভয়াবহ পরিস্থিতিতে চুক্তি নবায়নের বিষয়টি আশা করা যায় না।
২০২২ সালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর দুই দেশের মধ্যকার শস্য চুক্তি স্থগিত হয়ে যায়। তবে গত বছরের জুলাইয়ে জাতিসংঘ এবং তুরস্কের মধ্যস্থতায় পুনরায় রাশিয়া-ইউক্রেন শস্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
এদিকে ইউক্রেনের কৃষিমন্ত্রী মাইকোলা সোলস্কি বলেন, যুদ্ধ শুরু হওয়ার কারণে অপ্রত্যাশিত নানা ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে। তবে ইউক্রেনের কৃষক এবং ব্যবসায়ীরা দেখিয়েছেন, যেকোনো পরিস্থিতিতে উৎপাদন ও রপ্তানিতে তারা প্রস্তুত। রাশিয়া-ইউক্রেন শস্য চুক্তি নবায়ন না হলে বিকল্প পথ ব্যবহারে রপ্তানি করা হবে।
জাতিসংঘ বলেছে, রাশিয়া-ইউক্রেন শস্য চুক্তি বা কৃষ্ণসাগর চুক্তির মাধ্যমে প্রায় তিন কোটি টন খাদ্যশস্য ইউক্রেন থেকে রপ্তানি করা হয়েছে। ফলে বিশ্ব খাদ্য সহায়তা কার্যক্রমের আওতায় তারা আফগানিস্তান, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, সোমালিয়া এবং ইয়েমেনে প্রায় ছয় লাখ টন খাদ্যশস্য পাঠাতে পেরেছে। সূত্র : রয়টার্স