× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

ইলেকট্রিক মোটরযানে শুল্কমুক্ত সুবিধা দাবি

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ২১:৩৭ পিএম

আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ২৩:২৯ পিএম

প্রবা ফটো

প্রবা ফটো

ইলেকট্রিক মোটরযান আমদানির ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত সুবিধা দাবি করেছে বাংলাদেশ-চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিসিসিসিআই)। রবিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকালে আগারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আয়োজিত প্রাক-বাজেট আলোচনায় এ দাবি জানিয়েছে ব্যবসায়ী সংগঠনটি।

দাবিতে জানানো হয়, ইলেকট্রিক মোটরসাইকেল, ইলেকট্রিক মোটরযান (প্রাইভেট কার, বাস, পদট্রাক, গলফকার্ট, ফর্কলিফ্ট) আমদানির ক্ষেত্রে উৎসাহ দেওয়ার জন্য শুল্কমুক্ত অথবা শুল্ক কমিয়ে আনা ও প্রয়োজনে মূল্য নির্ধারণ করা জরুরি। এইচএস কোড সঠিকভাবে নিরূপণ করে মোটরযানগুলোকে সিবিইউ এবং সিকেডি আলাদা করা প্রয়োজন। এ ছাড়া সিকেডির কন্ডিশন অনুযায়ী, সিবিইউয়ের পার্থক্য ২৫ শতাংশ করার দাবি বিসিসিসিআইয়ের।

এ সময় ভারত-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (আইবিসিসিআই) তাদের প্রস্তাবে জানায়, তিন চাকাবিশিষ্ট সিএনজি, এলএনজি, এলপিজি চালিত গাড়ি উৎপাদনকারী শিল্পপ্রতিষ্ঠানের বিকাশ ও প্রসারের লক্ষ্যে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে কতিপয় শর্ত পালনসাপেক্ষে, উপকরণ আমদানির ক্ষেত্রে আমদানি পর্যায়ে এবং উৎপাদন ও সরবরাহ পর্যায়ে মূসক, শুল্ক ও করের রেয়াতি সুবিধা প্রদান করা হয়েছিল। উক্ত শর্তাবলির মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, উক্ত উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের প্রাঙ্গণে চেসিস, রিয়ারবডি, শক এবজরবার, মাফলার উৎপানের সক্ষমতা থাকতে হবে। এ শর্তের সংশোধনের মাধ্যমে মূসক, শুল্ক ও করের রেয়াতি সুবিধাগুলোর জন্য যোগ্য বিবেচনা করার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

এ সময় এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমরা চাই আপনারা সহজে ব্যবসা করেন, ট্যাক্স দেন। কিন্তু আপনাদের দাবি থাকে, সব ট্যাক্স মওকুফ করে দেওয়া হোক। মধ্যম ও উন্নত দেশের মানুষজন পুরোপুরি ট্যাক্স দেয় বিধায় তারা উন্নত। যেহেতু আমরা মধ্যম আয়ের দেশে যাচ্ছি, আপনাদের সবার যেন এই ট্যাক্স মওকুফের কালচার থেকে বের হয়ে আসার অনুভূতিটা থাকে।’

তিনি আরও বলেন, ‘অনেক খাতকে আমরা অ্যাসেম্বলিংয়ের জন্য সাপোর্ট দিয়েছি, যাতে তারা ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের দিকে যেতে পারে। কিন্তু তারা এখনও অ্যাসেম্বলিং-ই করে যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে আমাদের লক্ষ্য পূরণ হয়নি। এই সাপোর্টের কোনো মানে হয় না।’

অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া অ্যালায়েন্সের (আত্মা) পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত অনুযায়ী আগামী অর্থবছরে জিডিপির অন্তত দশমিক ৫ শতাংশ হারে অতিরিক্ত কর রাজস্ব আদায় করতে হবে। অর্থাৎ, কমপক্ষে ৬৫ হাজার কোটি টাকা কর আদায় বাড়াতে হবে। তামাকের দাম বাড়িয়ে এর উল্লেখযোগ্য আদায় সম্ভব উল্লেখ করে সব সিগারেট ব্র্যান্ডে সম্পূরক শুল্ক চূড়ান্ত খুচরা মূল্যের ৬৫ শতাংশ করার প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠনটি। প্রস্তাবে আরও বলা হয়েছে, ফিল্টারযুক্ত ও ফিল্টারবিহীন বিড়িতে এই হার ৪৫ শতাংশ করা, জর্দা এবং গুলের ক্ষেত্রে ৬০ শতাংশে উন্নীত করা। এ ছাড়া সব তামাকপণ্যের খুচরা মূল্যের ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট এবং ১ শতাংশ স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জ বহাল রাখার প্রস্তাব দিয়েছে আত্মা।

এর আগে সকালে বেজা, বিডা, বেপজা ও বিল্ডের নেতাদের সঙ্গে আয়োজিত প্রাক-বাজেট আলোচনায় এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশ এত বিপদে নেই যে বিদেশি বিনিয়োগের জন্য আমাদের এখনও উজাড় করে দিতে হবে। শুল্কমুক্ত সুবিধার কিছু প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমরা এত বিপদে নেই যে বিদেশি বিনিয়োগ পাওয়ার জন্য উজাড় করে দিতে হবে। একসময় রপ্তানির জন্য অনেক কিছুই করেছি, বিদেশিদের খুশি করার চেষ্টা করেছি। এখন আমরা সেই অবস্থায় নেই। এখনও যদি আগের মানসিকতা রাখি, তাহলে উন্নত দেশ হব কী করে! এখন আমরা আগের সিদ্ধান্তগুলো পুনর্বিবেচনা করব, দেখব যে, কোথায় কোথায় আর সাপোর্ট দরকার নেই।’

তিনি বলেন, ‘লিখিত প্রস্তাবনাগুলো আমরা খুবই গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করি, তবে সেই অর্থে বিবেচনা করতে পারি না। আপনারা যখন কথা বলেন, শুধু নিজের অবস্থান থেকে কথা বলেন। কখনও এনবিআরের অবস্থানটা বুঝতে চান না। আমরা চাই দেশেই কোয়ালিটিপূর্ণ পণ্য উৎপাদন হোক। বিদেশ থেকে জাহাজভরে পণ্য আসতে থাকবে, আমরা সাপোর্ট দিয়ে যাব, এমনটা হতে পারে না। এনবিআর সে রকম ভাবে না।’

এর আগে প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে শুল্কমুক্ত সুবিধায় ইপিজেডে নির্মাণসামগ্রী আমদানি, শুল্কমুক্ত সুবিধায় মূলধনী যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ আমদানির সুবিধা, কাঁচামাল ও খুচরা যন্ত্রাংশের ওপর অগ্রিম প্রত্যাহার, শুল্কমুক্ত সুবিধায় অফিস চেয়ারসহ উৎপাদন কাজে ব্যবহৃত প্লাস্টিক ক্যারেট, ফ্যান, ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেকিং সিস্টেম আমদানির ওপর সুবিধা প্রদানের দাবি জানানো হয়।


শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা