প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৩ ১৮:০৭ পিএম
আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০২৩ ১৮:৩৭ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
২০২৬ সালে বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ থেকে মধ্য আয়ের দেশে উন্নীত (এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন) হওয়ার পরও জাপান বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলে জানিয়েছে জাপানের রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ সঠিক সময়ে এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের পর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রস্তুতি শুরু করেছে। জাপান বাংলাদেশের উন্নয়নে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বলে রবিবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কার্যালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির সঙ্গে মতবিনিময় সভায় রাষ্ট্রদূত এ কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। জাপান বাংলাদেশের একটি প্রধান উন্নয়ন সহযোগী।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মাণের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। জাপানও এখানে বিনিয়োগ করেছে। বাংলাদেশ জাপানের কাছ থেকে আরও বিনিয়োগ আশা করছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ২০২৬ সালে এলডিসিতে উত্তীর্ণ হবে, বিভিন্ন দেশ থেকে বাণিজ্য সুবিধা পেতে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (পিটিএ) বা মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) মতো বাণিজ্য চুক্তি গঠনের কাজ চলছে। জাপান ইতোমধ্যে এ বিষয়ে ব্যাপক আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানান মন্ত্রী।
জাপান-বাংলাদেশ ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট (ইপিএ) গঠনের জন্য কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে তা নির্ধারণ করতে সরকারি কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করছে জাপান। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নূর মো. মাহবুবুল হক।
জাপানের সাহায্য সংস্থা জাইকার এক গবেষণায় প্রকাশ হয়েছে, সুদূর পূর্বাঞ্চলীয় দেশটিতে পোশাকের চালান দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ২০৩০ সাল নাগাদ ৩ বিলিয়ান থেকে ২০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছবে।