প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৩ জুন ২০২৬ ১১:০৭ এএম
আপডেট : ০৩ জুন ২০২৬ ১২:৪৮ পিএম
বাংলাদেশসহ ৬০টি দেশের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ছবি: সংগৃহীত
জোরপূর্বক শ্রম দিয়ে তৈরি পণ্যের বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে যথাযথ পদক্ষেপ না নেওয়ার অভিযোগে বাংলাদেশসহ ৬০টি দেশের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর (ইউএসটিআর) ।
ইউএসটিআর মঙ্গলবার এ প্রস্তাব ঘোষণা করে।
চলতি বছরের শুরুতে চালু হওয়া জোরপূর্বক শ্রমবিরোধী ধারা ৩০১-এর পরিপ্রেক্ষিতে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার বলেন, জোরপূর্বক শ্রম দিয়ে তৈরি পণ্যের আমদানি বন্ধে বাণিজ্য অংশীদারদের ব্যর্থতার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমিকদের জন্য একটি অসম প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরি করছে।
তিনি বলেন, “আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদাররা জোরপূর্বক শ্রম দিয়ে তৈরি পণ্যের আমদানি বন্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হওয়াটা গ্রহণযোগ্য নয়।”
তিনি আরও বলেন, বৈশ্বিক বাণিজ্য যেন জোরপূর্বক শ্রমকে উৎসাহিত না করে, সে জন্য সরকারগুলোর আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
প্রস্তাবে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ, ভারত, চীন, জাপান, যুক্তরাজ্য, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডসহ ৫৪টি দেশ জোরপূর্বক শ্রম দিয়ে তৈরি পণ্যের আমদানি নিষিদ্ধকরণ আইন কার্যকরভাবে প্রণয়ন ও প্রয়োগে ব্যর্থ হয়েছে।
অন্যদিকে কানাডা, মেক্সিকো ও পাকিস্তানসহ আরও ছয়টি দেশকে বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে ব্যর্থ হওয়ার জন্য দায়ী করা হয়েছে।
প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, যেসব দেশের আংশিকভাবে জোরপূর্বক শ্রমবিরোধী আমদানি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি রয়েছে, তাদের ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হতে পারে।
আর যেসব দেশের এমন কোনো চুক্তি নেই, তাদের ক্ষেত্রে ১২.৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে এই শুল্ক তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হচ্ছে না। এটি জনমত গ্রহণ ও পর্যালোচনার একটি পর্যায়ের মধ্য দিয়ে যাবে এবং এরপরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, যা পরিবর্তনও হতে পারে।