× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

চামড়া ব্যবসা

এবারের কোরবানিতেও সেই পুরনো সিন্ডিকেটের খেলা

বিশেষ প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০১ জুন ২০২৬ ১৪:১৮ পিএম

ফেনীর দাগনভূঞায় কোরবানির পশুর চামড়া বিক্রি না হওয়ায় নদীতে ফেলা হচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত

ফেনীর দাগনভূঞায় কোরবানির পশুর চামড়া বিক্রি না হওয়ায় নদীতে ফেলা হচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত

কোরবানির পশুর চামড়ার বাজার ঘিরে এবারও দেখা দিয়েছে হতাশা। সরকারের নির্ধারিত দর উপেক্ষা করে দেশের বিভিন্ন স্থানে ইচ্ছেমতো দামে চামড়া কেনাবেচা হয়েছে। অনেক জায়গায় পানির দামে, প্রায় অমূল্যে। কোথাও কাঙ্ক্ষিত মূল্য না পেয়ে কাঁচা চামড়া ফেলে দেওয়া হয়েছে রাস্তা-ঘাট, খাল-বিল কিংবা নদীতে। আবার কোথাও ক্ষোভে তা মাটিচাপাও দেওয়া হয়েছে। ট্যানারি ও আড়তদার সিন্ডিকেটের দাপটে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন মৌসুমি ব্যবসায়ী, গরিব ও এতিমরা; আর লাভের বড় অংশই গেছে প্রভাবশালী চক্রের হাতে।

গত বৃহস্পতিবার দেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হয়েছে। ঈদের দিন দুপুর থেকেই মৌসুমি ব্যবসায়ী, মাদ্রাসা-এতিমখানার প্রতিনিধি, আড়তদার ও ট্যানারি-প্রতিষ্ঠানগুলো কাঁচা চামড়া সংগ্রহ শুরু করে। সংগৃহীত এসব চামড়ায় লবণ দিয়ে সংরক্ষণ করা হয়, যা পরবর্তীতে কয়েক ধাপে প্রক্রিয়াজাত করে চামড়া ও চামড়াজাত বিভিন্ন পণ্য হিসেবে বিক্রি ও রপ্তানি করা হয়।

কোরবানির গরুর লবণযুক্ত চামড়ার প্রতি বর্গফুটের দাম গত বছরের তুলনায় এবার ২ টাকা বাড়িয়েছিল সরকার। তবে ঈদের দিন দেশের কোথাও সরকার নির্ধারিত দরে চামড়া বিক্রি হয়নি। বরং গত বছরের তুলনায় প্রতি পিসে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত কম দামে বেচাকেনা হয়। অবশ্য পরদিন শুক্রবার কাঁচা চামড়ার দামে কিছুটা ঊর্ধ্বগতি দেখা যায়; ঈদের দিনের তুলনায় প্রতি পিসে প্রায় ১০০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে বলে জানা গেছে।

সাধারণত বড় আকারের গরুর চামড়া ৩১ থেকে ৪০ বর্গফুট, মাঝারি আকারের চামড়া ২১ থেকে ৩০ বর্গফুট এবং ছোট আকারের গরুর চামড়া ১৬ থেকে ২০ বর্গফুটের হয়ে থাকে। সেই হিসাবে লবণযুক্ত ছোট আকারের একটি চামড়ার দাম ৯৯০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। মাঝারি আকারের লবণযুক্ত গরুর চামড়ার দাম ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৮৫০ টাকা এবং বড় আকারের লবণযুক্ত গরুর চামড়ার দাম ১ হাজার ৯০০ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। অন্যদিকে লবণযুক্ত খাসির চামড়া ট্যানারিতে প্রতি বর্গফুট ২৫ থেকে ৩০ টাকা দরে বিক্রি হবে, যা গত বছর ছিল ২২ থেকে ২৭ টাকা। আর বকরির চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি বর্গফুট ২২ থেকে ২৫ টাকা, যা গতবার ছিল ২০ থেকে ২২ টাকা।

সরকারি দরদাম আমলে নেই

সরকার কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করলেও বাস্তবে বাজারে তার কোনো প্রতিফলন দেখা যায়নি। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় পানির দামে বিক্রি হয়েছে কাঁচা চামড়া। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এতিমখানা, মাদ্রাসা ও দরিদ্র মানুষ। কারণ প্রতিবছর কোরবানির চামড়ার আয়ই বহু এতিম শিক্ষার্থীর খাবার, শিক্ষা ও প্রতিষ্ঠান পরিচালনার অন্যতম ভরসা হিসেবে কাজ করে। কিন্তু এবার কমদামে চামড়া বিক্রি হওয়ায় সেই আয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কাঁচা চামড়ার বাজার কার্যত নিয়ন্ত্রণ করছে ট্যানারি মালিক ও বড় আড়তদারদের একটি শক্তিশালী চক্র। মাঠপর্যায়ের ব্যবসায়ীরা তাদের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় বাধ্য হয়েই কমদামে চামড়া কিনছেন এবং পরে আরও কমদামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।

এতিমখানা ও মাদ্রাসাগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত

কোরবানির পশুর চামড়া শুধু একটি পণ্য নয়; এটি দীর্ঘদিন ধরে গরিব, এতিম ও মাদ্রাসাভিত্তিক সামাজিক সহায়তার একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। প্রতি বছর কোরবানিদাতাদের একটি বড় অংশ পশুর চামড়া মাদ্রাসা, এতিমখানা কিংবা অসচ্ছল মানুষের কল্যাণে দান করে থাকেন। এসব চামড়া বিক্রির অর্থ দিয়ে বছরের বিভিন্ন সময় এতিমদের খাবার, শিক্ষা এবং প্রতিষ্ঠান পরিচালনার ব্যয়ের একটি অংশ নির্বাহ করা হয়। ফলে চামড়ার দাম কমে গেলে সরাসরি প্রভাব পড়ে গরিব ও এতিমদের প্রাপ্য অর্থে। বাজারে চামড়ার দরপতন কেবল একটি শিল্প খাতের সংকট নয়; এর প্রভাব সমাজের সবচেয়ে অসহায় মানুষের জীবন-জীবিকার ওপরও গভীরভাবে গিয়ে পড়ে।

ট্যানারি-আড়তদার সিন্ডিকেটের অভিযোগ

রাজধানীর মুগদা এলাকার মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ী জালাল উদ্দিন বলেন, বাজারে প্রত্যাশিত দাম না পাওয়ায় এবার কমদামে চামড়া কিনতে বাধ্য হয়েছেন তিনি। তার ভাষায়, ছোট গরুর চামড়া ২০০ থেকে ৩০০ টাকা, মাঝারি ৩০০ থেকে ৫০০ এবং বড় গরুর চামড়া ৫০০ থেকে ৭০০ টাকায় কিনেছেন। তবে গড়ে ৪৫০ টাকায় বিক্রি করায় লোকসান গুনতে হয়েছে। তিনি বলেন, অনেকে ফোন দিয়ে চামড়া নেওয়ার আগ্রহ দেখালেও দাম কম হওয়ায় সেগুলো সংগ্রহই করেননি। এতে বাড়তি ঝুঁকি এড়াতে অনেকেই ব্যবসা সীমিত রেখেছেন।

অভিজ্ঞ ব্যবসায়ী আবুল হাসান চামড়ার বাজার পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ২৫–৩০ বছর আগে একটি চামড়া ২ হাজার ৮০০ থেকে ৩ হাজার টাকায় বিক্রি হতো, অথচ একই আকারের চামড়া এখন বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায়। তার মতে, বর্তমান দামে শ্রমিকের খরচও ওঠে না, ফলে এই খাত টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে।

এদিকে কমদামের প্রভাব পড়েছে মাদ্রাসা ও এতিমখানাগুলোতেও। রাজধানীর জামিয়া কোরআনিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিক্ষক হাফেজ ফয়জুল্লাহ জানান, তাদের ২০ জন শিক্ষার্থী বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে প্রায় ৮০টি চামড়া সংগ্রহ করলেও তা বিক্রি করে মাত্র ৩২ হাজার টাকা পাওয়া গেছে। এতে পুরো দিনের পরিশ্রমই প্রায় বৃথা হয়ে গেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

অন্যদিকে রাজধানীর লালবাগ-পোস্তার ব্যবসায়ীরা জানান, সন্ধ্যার আগে আনা চামড়া গড়ে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় কেনা হলেও রাতের দিকে মান নষ্ট হতে শুরু করায় দাম অর্ধেকে নেমে আসে। ফলে পরে আনা চামড়া মানভেদে আরও কমদামে কিনতে বাধ্য হন তারা।

বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান সাখাওয়াত উল্লাহ সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, এ ধরনের বিচ্ছিন্ন ঘটনা প্রতি বছরই ঘটে। তবে এখন পর্যন্ত যতটুকু চামড়া সংগ্রহ হয়েছে, তাতে গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার ব্যবস্থাপনা তুলনামূলকভাবে ভালো হয়েছে বলে তারা মনে করেন।

সাভার চামড়া শিল্প নগরীতে ঢুকেছে সোয়া ৫ লাখের বেশি কাঁচা চামড়া

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সাভারের ট্যানারি শিল্পনগরীতে মোট ৫ লাখ ২৭ হাজার ৮৭৫টি কাঁচা চামড়া এসেছে। বিসিক চামড়া শিল্প নগরীর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মেহরাজুল মাঈয়ান জানান, চামড়া সংগ্রহ প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন রাখতে বিসিকের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক তদারকি করা হয়েছে। বিসিকের তথ্য অনুযায়ী, গরু ও মহিষের চামড়া এসেছে ৫ লাখ ১১ হাজার ৭০০টি এবং ছাগল ও ভেড়ার ১৬ হাজার ১৭৫টি।

চামড়ার দামে-মানে ‘সন্তুষ্ট’ আড়তদাররা

কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়া নিয়ে ঈদের দিন মৌসুমি ব্যবসায়ী ও আড়তদারদের মধ্যে যে হতাশা ও অসন্তোষ দেখা গিয়েছিল, ঈদের দ্বিতীয় দিনে তা আর তেমনভাবে লক্ষ করা যায়নি। শুক্রবার ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে কোরবানি অনুষ্ঠিত হওয়ার পর পরিস্থিতিতে কিছুটা পরিবর্তন আসে। ট্যানারি মালিকদের ‘ইচ্ছেমতো’মূল্য নির্ধারণের অভিযোগে ঈদের দিন যে কমদামে চামড়া সংগ্রহের প্রবণতার কথা শোনা গিয়েছিল, পরের দিন সেই তীব্রতা অনেকটা কমে আসে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এর আগে ঈদের দিন চামড়ার দাম নিয়ে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা হতাশা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে চামড়ার গুণগত মান নিয়ে ট্যানারি মালিকদের সঙ্গে আড়তদারদের টানাপড়েনও সামনে আসে। বিশেষ করে গরুর চামড়ায় দাগ, কাটা বা ত্রুটি থাকলে তা বাদ দেওয়ার কারণে লোকসানের আশঙ্কার কথাও জানান আড়তদাররা।

চামড়ার মান নিয়ে সরকার আশাবাদী

শুক্রবার বিকালে রাজধানীর লালবাগের পোস্তা এলাকায় কোরবানির কাঁচা চামড়া ক্রয়-বিক্রয় কার্যক্রম পরিদর্শন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। এ সময় তিনি বলেন, সরকারের সমন্বিত উদ্যোগ, ব্যবসায়ী ও আড়তদারদের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং এতিমখানা-মাদ্রাসাভিত্তিক সংরক্ষণ কার্যক্রমের ফলে এবারের কোরবানির অধিকাংশ চামড়া ‘ব্যবহার উপযোগী’অবস্থায় সংগ্রহ করা সম্ভব হবে বলে সরকার আশাবাদী।

প্রসঙ্গত, বর্তমানে দেশে চামড়াজাত পণ্যের বাজার ও রপ্তানির পরিমাণ প্রায় ১২ থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকার। পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ বাজারেও চামড়াজাত পণ্যের একটি বড় ও বিস্তৃত চাহিদা রয়েছে।

লক্ষ্যমাত্রা ও সংগ্রহ

সরকারের তরফে এবার কোরবানির পশুর চাহিদা ১ কোটি ১ লাখের কিছুটা বেশি ধরা হয়েছে। এর চেয়ে বেশি সংখ্যক পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত থাকার কথাও বলা হয়েছে, যার বেশিরভাগই গরু। দেশের চামড়া শিল্পের মোট কাঁচা চামড়ার চাহিদার ৮০ শতাংশেরও বেশি সংগ্রহ হয় কোরবানির এই মৌসুমে। এদিকে ট্যানারি মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএ) জানিয়েছে, এ ঈদে ৭৫ থেকে ৮০ লাখ চামড়া সংগ্রহের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

ক্রেতা না থাকায় নদীপাড়ে চামড়া

শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিবেদক জানান, শ্যামনগরে পশুর চামড়া বিক্রি না হওয়ায় অনেকেই তা মাটিতে পুঁতে ফেলছেন এবং কেউ কেউ নদীর পাড়ে ফেলে দিয়েছেন। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে এমন চিত্র দেখা গেছে, যা স্থানীয়ভাবে চামড়ার বাজার পরিস্থিতি নিয়ে চরম হতাশার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

চামড়া নদীতে ফেলা ব্যবসায়ীরা চাইলেন ক্ষমা

ফেনী প্রতিবেদক জানান, শতাধিক কোরবানির পশুর চামড়া ক্রেতা না পেয়ে নদীতে ফেলে দেওয়ার ঘটনায় ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার মমারিজপুর গ্রামের দিদারুল আলম ও খুরশিদ আলম দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চেয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, মৌসুমি ব্যবসায়ী দিদারুল ও খুরশিদ কোরবানির ঈদের দিন বিভিন্ন এলাকা থেকে শতাধিক গরু ও খাসির চামড়া সংগ্রহ করেন। পরে সেগুলো বিক্রির জন্য স্থানীয় বাজারে নিয়ে গেলেও শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত কোনো ব্যবসায়ীর দেখা মেলেনি। এদিকে চামড়াগুলোতে পচন ধরতে শুরু করলে একপর্যায়ে ক্ষোভ ও হতাশা থেকে তারা ভ্যানগাড়িতে করে সেগুলো কাটাখালী নদীতে ফেলে দেন। পরে সেসব নদীর স্রোতে ভেসে যায়।

রাস্তার পাশে খাসির চামড়া

বগুড়া অফিস জানায়, এবার জেলার বিভিন্ন এলাকায় খাসির চামড়া রাস্তার পাশে পড়ে থাকতে দেখা গেছে। বিনামূল্যে দিতে চাইলেও কেউ তা নিতে আগ্রহ দেখায়নি। অন্যদিকে লাখ টাকার গরুর চামড়া বিক্রি হয়েছে মাত্র ২০০ থেকে ৩০০ টাকায়। ঈদের দিন থেকে পরবর্তী কয়েক দিন বগুড়া শহরের বিভিন্ন এলাকায় চামড়া কেনাবেচা চললেও বাজারে ছিল চরম হতাশার চিত্র। অনেক কোরবানিদাতা চামড়া নিয়ে ঘুরে বেড়ালেও ন্যায্যমূল্য তো দূরের কথা, অনেক ক্ষেত্রে ক্রেতাও জোটেনি।

মাটিতে পুঁতে ফেলতে হয়েছে পশুর চামড়া

ময়মনসিংহ অফিস জানায়, ময়মনসিংহ অঞ্চলের সবচেয়ে বড় চামড়ার হাট হিসেবে পরিচিত শহরতলির শম্ভুগঞ্জ চামড়া হাটে ঈদের দিন ও পরের দিন ট্যানারি মালিক ও পাইকারদের তেমন উপস্থিতি ছিল না। ফলে অনেক মৌসুমি ব্যবসায়ী ও কোরবানিদাতা চামড়া বিক্রি করতে না পেরে মাটিতে পুঁতে ফেলতে বাধ্য হয়েছেন। আবার কেউ কেউ বাধ্য হয়ে পানির দামে বিক্রি করেছেন বলেও জানা গেছে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা