প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩১ মার্চ ২০২৬ ১৯:০৬ পিএম
আপডেট : ৩১ মার্চ ২০২৬ ১৯:০৬ পিএম
বিশ্বজুড়ে বাজারের অস্থির পরিস্থিতির মধ্যে জ্বালানির মজুত বাড়াতে চায় সরকার। গ্রাফিক্স: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারের অস্থির পরিস্থিতির মধ্যে মজুত বাড়াতে ডিজেল ও অপরিশোধিত তেলসহ ২ লাখ ৬০ হাজার টন জ্বালানি জরুরিভিত্তিতে কেনার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি (সিসিইএ)।
উপসাগরীয় অঞ্চলে
বাড়তে থাকা উত্তেজনার মুখে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের
অংশ হিসেবে মঙ্গলবার অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে
অনুষ্ঠিত এক সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র
মতে, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি (ডিপিএম) এবং সরকার-টু-সরকার
(জিটুজি) চুক্তির আওতায় তিনটি বড় আমদানি প্রস্তাবের সবুজ সংকেত পেয়েছে।
সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার
ঝুঁকি মোকাবিলায় কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে ‘আবীর ট্রেড অ্যান্ড গ্লোবাল মার্কেটস’ থেকে
১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল কেনার অনুমোদন দিয়েছে কমিটি।
এছাড়া, জিটুজি কাঠামোর
আওতায় ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রীয় তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান ‘পিটি বুমি সিয়াক পুসাকো জাপিন’
(বিএসপি জাপিন) থেকে ৬০ হাজার টন ০.৫ শতাংশ সালফারযুক্ত গ্যাস অয়েল এবং ‘ম্যাক্সওয়েল
ইন্টারন্যাশনাল এসপিসি’ থেকে আরও ১ লাখ টন ৫০ পিপিএম সালফারযুক্ত ডিজেল কেনার প্রস্তাব
অনুমোদিত হয়েছে।
বেশ কয়েকটি প্রস্তাব
পাস হলেও জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ সভার আলোচ্যসূচি থেকে দুটি বিশেষ বিষয় প্রত্যাহার
করে নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ‘এক্সনমোবিল কাজাখস্তান ইনক’ (ইএমকেআই) থেকে ১ লাখ টন ইএন৫৯০-১০
পিপিএম সালফারযুক্ত ডিজেল এবং ‘আর্চার এনার্জি এলএলসি’ থেকে ৬০ হাজার টন ০.৫ শতাংশ
সালফারযুক্ত গ্যাস অয়েল আমদানির প্রস্তাব।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন,
আন্তর্জাতিক বাজার অস্থিতিশীল থাকায় দেশে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ বজায় রাখতে দীর্ঘ
টেন্ডার প্রক্রিয়া এড়িয়ে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে। অনুমোদিত এই প্রস্তাবগুলো
এখন চূড়ান্ত দাম যাচাই ও চুক্তি সম্পাদনের জন্য সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে
(সিসিজিপি) পাঠানো হবে।