প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৫ মার্চ ২০২৬ ২০:৫৯ পিএম
আপডেট : ২৫ মার্চ ২০২৬ ২১:১৭ পিএম
শেভিং ব্লেড চোরাচালানে সক্রিয় হয়ে উঠেছে শক্তিশালী সিন্ডিকেট। প্রক্টর অ্যান্ড গ্যাম্বেল জিলেট ইন্ডিয়ার সঙ্গে অফিশিয়াল ডিস্ট্রিবিউশন চুক্তি বাতিল করেছে এক বছরেও বেশি সময় হলো, তারপরও বাজারে অবৈধ জিলেট ব্লেডের আধিপত্য একটুও কমেনি।
বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছরের ২৬ এপ্রিল সিলেটের গোয়াইনঘাট সীমান্তে বিজিবি ও সেনাবাহিনীর পৃথক অভিযানে চোরাই পণ্য জব্দ করা হয়, যার মধ্যে বিপুল পরিমাণ জিলেট শেভিং ব্লেড ছিল। এরপর একই বছরের ১৮ জুলাই এক প্রতিবেদনে বিএসএস জানায়, সিলেট-সুনামগঞ্জ সীমান্তে অবৈধ কসমেটিকস ও জিলেট শেভিং ব্লেড জব্দ করা হয়েছে।
সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রায় প্রতিটি দোকানেই এই অবৈধ জিলেট ব্লেড বিক্রি হচ্ছে। বৈধ পথে আমদানি বন্ধ থাকার পরও পাইকাররা কোথা থেকে এসব পণ্য পাচ্ছেন, সে বিষয়ে তারা মুখ খুলতে নারাজ।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, যারা নিয়ম মেনে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে কাঁচামাল এনে, দেশে কারখানা স্থাপন করে উৎপাদন করেন এবং হাজারো শ্রমিকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেন, সেই দেশীয় শেভিং ব্লেড প্রস্তুতকারকরা বড় ধরনের হুমকিতে রয়েছেন। অবৈধ ব্লেডের এই কালোবাজার ভাঙতে না পারলে দেশীয় শিল্প ও রাজস্ব খাতের নীরব ক্ষয় ঠেকানো অসম্ভব হয়ে পড়বে।