বেনাপোল প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১০ জানুয়ারি ২০২৬ ২০:০১ পিএম
আপডেট : ১০ জানুয়ারি ২০২৬ ২২:২৩ পিএম
বেনাপোল স্থলবন্দর। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারি বাংলাদেশে চলে পেঁয়াজের ফলন তোলার মৌসুম। এই সময়ে ভারত থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজ যেন দেশীয় কৃষকদের ক্ষতি করতে না পারে সেজন্য সময় সময় বন্ধ থাকে পেঁয়াজ আমদানি।
তারই জেরে গত দুই সপ্তাহ ধরে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ করে দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। পরবর্তীতে কখন আমদানী শুরু সে বিষয়ে এখনো কোন সিদ্ধান্ত আসেনি।
তবে আগের আমদানির অনুমতি থাকা পেঁয়াজ চলতি মাসের ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত আমদানি করতে পারবেন আমদানিকাকররা। এদিকে আমদানি বন্ধ হয়ে গেলে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম ফের বেড়ে যাবে বলে মনে করছেন তারা।
শনিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নতুন করে ভারত থেকে কোনও পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়নি সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতর। তবে পুরোনো আমদানির অনুমতির বিপরীতে বেনাপোল বন্দর দিয়ে গত ২৪ ডিসেম্বরের পর থেকে আমদানিকৃত কোন পেঁয়াজ বন্দরে প্রবেশ করেনি। সর্বশেষ ২৪ ডিসেম্বর ৬০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছিল। গত ১৫-২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৬টি চালানে ১৩টি ট্রাকে করে ৩৯০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আসে।
পেঁয়াজ আমদানিকারক রয়েল ইসলাম বলেন, ৩ মাস বন্ধের পর আবারও গত ৭ ডিসেম্বর থেকে বেনাপোল স্থলবন্দরসহ দেশের বিভিন্ন স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়। প্রথম দিকে আমদানির অনুমতির পরিমাণ কম দেওয়ায় চাহিদার তুলনায় পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছিল না। পরে আমদানির অনুমতি দেওয়ার পরিমাণ বাড়িয়ে দিলে দেশের সব বন্দরগুলো দিয়ে আমদানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দাম কমতে শুরু করে। গত এক সপ্তাহ আগেও ৩৫-৪০ টাকায় কেজি বিক্রি হচ্ছিল। বর্তমানে আমদানি বন্ধ থাকায় ৫০-৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
রয়েল জানান, আমদানির অনুমতি চেয়ে সংশ্লিষ্ট দফতরে আবেদন করেছি, কিন্তু কোনও আবেদন মঞ্জুর হয়নি। তবে এ সংক্রান্ত কোনও প্রজ্ঞাপন বা চিঠি ইস্যু করা হয়নি। আমদানি বন্ধ থাকলে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম নিয়ে আবারও অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। ইতিমধ্যেই আমদানির অনুমতি দেওয়া বন্ধের খবরে কেজিতে বন্দরে ১০ টাকার মতো বেড়ে গেছে।