প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৯ নভেম্বর ২০২৫ ১৮:৪৭ পিএম
আপডেট : ০৯ নভেম্বর ২০২৫ ১৮:৫১ পিএম
রবিবার বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে পেঁয়াজের বর্তমান বাজার পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। ছবি: প্রবা
দেশে পেঁয়াজের যথেষ্ট মজুত রয়েছে, আর ক’দিন পরই নতুনটা উঠছে—এ তথ্য তুলে ধরে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন জানিয়েছেন, ৪-৫ দিনের মধ্যে দাম না কমলে আমদানির অনুমোদন দেওয়া হবে।
বাংলাদেশে রপ্তানির জন্য সীমান্তের ওপারে পেঁয়াজ মজুত করার খবরও সরকারের কাছে রয়েছে, যা এলে কৃষকের ক্ষতি হবে বলে মনে করেন উপদেষ্টা।
রবিবার (৯ নভেম্বর) বিকালে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে পেঁয়াজের বর্তমান বাজার পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফকালে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, “দেশে পেঁয়াজের বাম্পার ফলন হয়েছে। কোনো সংকট নেই; যথেষ্ট মজুত রয়েছে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে নতুন পেঁয়াজ বাজারে আসবে। ফলে আগামী চার-পাঁচ দিনের মধ্যে বাজার স্বাভাবিক না হলে আমরা আমদানির অনুমোদন দেওয়ার সিদ্ধান্ত দিব।
“ইতোমধ্যে পেঁয়াজ আমদানির জন্য ২ হাজার ৮০০ আবেদন পড়েছে। আগামী ৪ থেকে ৫ দিনের মধ্যে বাজারের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে না আসলে আমদানি অনুমোদন ইস্যু করা হবে।”
হঠাৎ করে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়া ‘অযৌক্তিক’ মন্তব্য করে উপদেষ্টা বলেন, “একাধিক কারণে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। মৌসুমের শেষ, হঠাৎ করে ভারি বৃষ্টি, পেঁয়াজ সংরক্ষণের সময় শুকিয়ে যাওয়ার পরে ওজন কমে যাওয়া ইত্যাদি দাম বেড়ে যাওয়ার কারণ।
“হঠাৎ করেই পেঁয়াজের দাম বেড়েছে- আমরা বাজারে নজর রাখছি। দেশে যথেষ্ট পেঁয়াজের মজুত রয়েছে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে নতুন পেঁয়াজ বাজারে আসবে। ফলে আগামী চার পাঁচ দিনের মধ্যে পেঁয়াজের বাজার স্বাভাবিক না হলে আমরা আমদানির অনুমোদন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”
পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি মজুতদার বা সিন্ডিকেটের কারণে হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, “আমার কাছে মজুতদারি বা সিন্ডিকেটের খবর নেই। সাময়িক সংকট তৈরি হয়েছে। আশা করি, দ্রুত সংকট কেটে যাবে।
“সীমান্তের ওপারে বাংলাদেশে রপ্তানির জন্য পেঁয়াজ মজুত করা হচ্ছে বলে আমাদের কাছে খবর রয়েছে।”
উপদেষ্টা বলেন, “পেঁয়াজ আমদানির জন্য ২ হাজার ৮০০ আবেদন পড়েছে; এর ১০ শতাংশ যদি অনুমোদন দেওয়া হয় তাহলে বাজারে পেঁয়াজে সয়লাব হয়ে যাবে। কৃষক ক্ষতির মুখে পড়বেন। এজন্য আমরা সামগ্রিক বিবেচনায় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।”