× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

মাছ চড়া, সবজিতে স্বস্তি

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১০ অক্টোবর ২০২৫ ১৩:০২ পিএম

মাছ চড়া, সবজিতে স্বস্তি

গত সপ্তাহের তুলনায় চলতি সপ্তাহে বাজারে মাছের দাম বেড়েছে প্রতি কেজিতে ৩০ থেকে ৫০ টাকা। সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি দেখা গেছে বোয়াল ও আইড় মাছের। বরবটি ও কাঁকরোলের দামও বেড়েছে যথাক্রমে ১০-২০ টাকা। তবে লম্বা বেগুন, গোল বেগুন, গাজর, টমেটো, লাউ ও জালির দাম কমেছে; লম্বা বেগুন ১০০ টাকা থেকে ৮০-৮৫, ১৪০ টাকার গোল বেগুন ১০০-১১০ এবং গাজর ১২০-১৪০ টাকা থেকে ৮৫-৯৫ টাকায় নেমে এসেছে। গত ১০ দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের দর মণপ্রতি বেড়েছে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা।

বিক্রেতারা বলছেন, পূজার পর বাজারে সরবরাহ কিছুটা কমে যাওয়ায় দাম বেড়েছে। এদিকে পাইকারি বাজারে দর বেড়ে যাওয়ায় ভোক্তাপর্যায়ে তা প্রভাব ফেলেছে। গতকাল বৃহস্প্রতিবার রাজধানীর জোয়ার সাহারা ও কুড়িল বাজার ঘুরে ও ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পটোল ৬৫-৭০, লম্বা বেগুন ৮০-৮৫, গোল বেগুন ১০০-১০৫, বরবটি ১১০-১২০, জালি ৪০-৪৫, মিষ্টি কুমড়া ৪০, কাঁচা পেপে ২৫-৩০, টমেটো ৯০-১১০, লাউ আকারভেদে ৩৫-৮০, চিচিঙ্গা ৬০-৭০, ঝিঙা ৬০-৭০, করলা ১০০-১১০, গাজর ৮৫-৯৫, ঢেঁড়স ৭০-৮০, কাঁচকলা ৫০-৫৫, শসা ৬০-৮০, ধুন্দল ৪৫-৫৫, কাঁকরোল ৯০-১০০, কচুর লতি ৬০-৬৫, কচুর মুখি ৪৫-৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতা আল আমিন বলেন, সবজির দাম কমেছে। চিচিঙ্গা, ঝিঙা, পটোল ও শাকসবজির দাম প্রায় স্থিতিশীল। তবে কিছু মৌসুমি সবজির দাম ১০-২০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।

আয়েশা বেগম নামের এক ক্রেতা বলেন, সবজির দাম গত সপ্তাহের তুলনায় কম; কিন্তু মাছের বাজারটা আগের চেয়ে বেশি। একটা কমলে আরেকটা বেড়েই চলেছে।

মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, রুই ৩০০-৪৫০, কাতল ৩৮০-৪৫০, চিতল ৬০০-৭০০, বোয়াল ৭৫০-৯০০, আইড় ৭০০-৮০০, সিলভার কার্প ২০০-২২০, গোল্ড কার্প ১৮০-২৫০, গ্রাস কার্প ২৮০-৩২০, ইলিশ এক কেজির কম ওজনের ১৪০০-১৮০০ ও এক কেজির বেশি ২৫০০-২৮০০, চাষের পাঙাশ ২০০-২৮০, আকারভেদে চিংড়ি ৪০০-১০০০, মলা ৫০০-৫৫০, কাচকি ৩০০-৩৫০, শোল ৪৮০-৫২০, দেশি শিং ৬০০-৭৫০, চাষের ৪০০-৫০০, চাষের কৈ ২২০-২৮০, তেলাপিয়া ১৮০-২০০, বাইম ৫০০-৬০০, টেংরা ৬০০-৮০০, পাবদা ৩৮০-৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

জোয়ার সাহারা বাজারের মাছ বিক্রেতা আলি আজগর বলেন, মাছের দাম আগের তুলনায় অনেকটা বাড়ছে। 

ফরিদপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. শাহেদুজ্জামান বলেন, মৌসুমে এ জেলায় পেঁয়াজের আবাদ হয়েছিল ৩৮ হাজার হেক্টর জমিতে, আর উৎপাদন হয় ৬ লাখ ৭৭ হাজার টন। যদিও মৌসুমের শুরুতে পেঁয়াজের দর চাষিপর্যায়ে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা মণপ্রতি দর ছিল। এতে ক্ষুব্ধ ছিলেন চাষি। ‍উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় চাষিরা ২২০০ থেকে ২৫০০ টাকা দর পেলে লাভবান হন। দুর্গাপূজার পরে কয়েকদিনের ব্যবধানে ২ হাজার টাকার পেঁয়াজ পাইকারিতে বিক্রয় হচ্ছে ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকায়।

ফরিদপুরের সালথার আটঘর ইউনিয়নের চয়ন শেখ কানাইপুরে নালারমোড় বাজারে ১৭ মণ পেঁয়াজ নিয়ে এসেছেন বেচতে। তিনি বলেন, ২ হাজার ৫০০ টাকা মণ দরে বিক্রি করতে পেরেছি। 

বিক্রেতা বিল্লাল মাতব্বর বলেন, কানাইপুরের নালার মোড়ে পেঁয়াজের বাজার খুবই নামকরা। প্রতি হাটে চাষিরা নিজেই পেঁয়াজ নিয়ে আসেন বাজারে। এখানকার পেঁয়াজের চাহিদা দেশজুড়ে। 

মাংস বিক্রেতা ওয়াসিম জানান, গরুর মাংস প্রতি কেজি ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা, খাসির ১১০০ থেকে ১২০০, মহিষ ৭২০ থেকে ৭৮০, বকরি ৯০০ থেকে ১১০০, সোনালি মুরগি ২৯০ থেকে ৩১০, ব্রয়লার ১৭০ থেকে ১৮০, দেশি মুরগি ৬০০ থেকে ৬৫০, দেশি হাঁস ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকায় বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। 

কুড়াতলি বাজারের রহমান উদ্দিন বলেন, মুরগির ডিম সাদা প্রতি ডজন ১২৮ থেকে ১৩০ টাকা, লাল ডিম ১৩৫ থেকে ১৪০, দেশি মুরগির ডিম ২১০ থেকে ২২০ টাকা।

সয়াবিন তেল ৫ লিটারের বোতল ৯১২ থেকে ৯২২ টাকা, ২ লিটার ৩৫৫ থেকে ৩৬০, ১ লিটার ১৭৫ থেকে ১৭৬, পাম অয়েল ১৫০-১৫৫, সুপার পাম অয়েল ১৫৫-১৬০ টাকা, সরিষা প্রতি লিটার ২৫০-২৮০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা